ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জে বাকপ্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত দুলাভাই আলামিনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
গত শনিবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে রোববার আলামিনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।
অভিযুক্ত আলামিন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের দক্ষিণ নাউড়ি গ্রামের মরছব আলীর ছেলে। আলামিন পেশায় একজন ট্রলিচালক।
আরও পড়ুন- বিজয়নগরে ইটভাটার দেয়াল চাপায় শ্রমিকের মৃত্যু
এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রওশন আলী বলেন, আলামিন ময়মনসিংহ চার নম্বর আমলী আদালতের বিচারক মাহবুবা আক্তারের আদালতে প্রতিবন্ধী শ্যালিকাকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত আলামিন প্রায় ছয় বছর আগে ভুক্তভোগী বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীর বড় বোনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময় যৌতুক ও অন্যান্য কারণে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। নির্যাতন সইতে না পেরে এক বছরের সন্তান নিয়ে স্বামীর বাড়ি ছেড়ে প্রথমে বাবার বাড়িতে চলে যান তিনি। পরে সেখান থেকে তিনি ঢাকায় চলে যান।
এসআই মো. রওশন আলী বলেন, স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়ে একপর্যায়ে শ্যালিকাকে উত্ত্যক্ত করতে শুরু করেন আলামিন। পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলেও তিনি বিরত থাকেননি। ঘটনার দিন গত ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যার পর ওই বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে বিয়ের আশ্বাসে বাড়িতে এনে ধর্ষণ করেন আলামিন।
ভুক্তভোগী বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীর বাবা পরদির রাতে বাদী হয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় আলামিনকে আসামি করে মামলা করেন।