1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
অন্যের স্ত্রীকে ধর্ষণের পর বিয়ে: নির্যাতন সইতে না পেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা - Globalprime24.com
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন

অন্যের স্ত্রীকে ধর্ষণের পর বিয়ে: নির্যাতন সইতে না পেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

গ্লোবাল প্রাইম ডেস্ক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩২ Time View

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে সাহিদা আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূ বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর স্বামী মোনাইদ হোসেনকে (২৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।



বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পার্শ্ববর্তী খালিয়াজুরি উপজেলার বোয়ালী গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।



গ্রেফতার মোনাইদ হোসেন উপজেলার বাখরপুর গ্রামের মো. শফিকুল ইসলামের ছেলে। আর মৃত সাহিদা আক্তার পার্শ্ববর্তী মধুপুর গ্রামের শহীদ মিয়ার মেয়ে। সাহিদা মোনাইদের দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সংসারে মোনাইদের ৪ বছর বয়সি একটি ছেলেসন্তান রয়েছে।



মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের আগস্টে গৃহবধূ সাহিদাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ উঠে মোনাইদ হোসেনের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে আদালতে মামলাও করেন সাহিদা। মামলা থেকে বাঁচতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সাহিদাকে বিয়ে করেন তিনি। এক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে আগের স্বামীকে ডিভোর্স দেন সাহিদা। কিন্তু বিয়ের পর মোনাইদসহ পরিবারের লোকজন মিলে সাহিদাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন। তাকে যৌতুক হিসেবে বাবার বাড়ি থেকে ৬ লাখ টাকা এনে দিতে বলেন মোনাইদ। টাকা দিতে না পারায় নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গত ২৯ মার্চ দুপুরে বাবার বাড়িতে গিয়ে বিষপান করেন সাহিদা। এ সময় তিনি বাবার বাড়ির লোকজনদের কেন বিষপান করেছেন সেই কথা জানান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ৮ এপ্রিল মৃত সাহিদার বাবা শহীদ মিয়া বাদী হয়ে স্বামী মোনাইদসহ পরিবারের সাতজনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন। এতে আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।



শহীদ মিয়া বলেন- মোনাইদ মাদক সেবন করে, জুয়া খেলে। ধর্ষণের পর চাপে ফেলে আমার মেয়েকে সে বিয়ে করেছে। বিয়ের পর যৌতুকের জন্য মারধর শুরু করে। তাদের মারধর, গালাগাল, অপমান ও নির্যাতন সইতে না পরে আমার মেয়ে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই।



মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, মামলার প্রধান আসামি মোনাইদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved