তাল ছোট থাকতে এর ভেতরের শাঁস খাওয়া যায়। ভীষণ মজার আর পুষ্টিকর এই তাল শাঁস। গ্রামে এটি সহজে পাওয়া গেলেও
মুখের অসহ্যকর গন্ধে অনেকেরই নাজেহাল অবস্থা হয়। এই বাজে সমস্যার কারণে পড়তে হয় লজ্জায়ও। অনেক কাছের মানুষও বাধ্য হয়ে দূরে সরে
খুশকির সমস্যায় কম-বেশি সবাই ভুগে থাকেন। দেখা যায়, নানা রকম পদ্ধতি অবলম্বন করেও এর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয় না।
ঋতু বদলের এই সময় নানা সংক্রমণ রোগে আক্রান্ত হয় সবাই। জ্বর ঠাণ্ডা- কাশি লেগেই থাকে। তার মধ্যে করোনার ভয় যেন
বর্ষার এই সময়ে অনেকেই ব্রণের সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাছাড়া অনেকেরই আবার বছরজুড়েই ব্রণের সমস্যা থাকে। যদিও এর থেকে পরিত্রাণ পেতে
বিকেলের নাস্তা মানেই ভাজাভুজি। তবে এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য খুব একটা ভালো নয়। তাই বিকেলের চায়ের সঙ্গে এমন নাস্তা রাখুন যা
চলছে পাকা আমের মৌসুম। আম এমনিতে খাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। লাচ্ছি বানিয়ে খেতে পারেন আবার কেক বা পুডিং তৈরি
মৌসুমি ফলের মধ্যে জাতীয় ফল কাঁঠাল রয়েছে সবার পছন্দের তালিকায়। বছরের নির্দিস্ট একটি সময়েই পাওয়া যায়। আর খুব কম সময়
গ্রীষ্মের এই আবহাওয়ায় ত্বক বেশ তৈলাক্ত হয়ে পড়ে। আর এতে বেড়ে যায় ব্রণের প্রকোপ। কিছুতেই দূর হতে চায় না। ব্রণ
কেক খেতে সবাই ভালোবাসেন। নিশ্চয়ই জানেন, কেক বানাতে দুধ-ডিম লাগবেই। তবে আজকে আপনাদের জন্য রইল ভিন্ন একটি কেক-এর রেসিপি। যেখানে