৮-৯ বছরের প্রেম। সেই প্রেম সফল হয় চলতি মাসের ১৫ তারিখে বিয়ের মাধ্যমে। কিন্তু তারপরই ঘটলো দুর্ঘটনা। স্বামীর সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বসলেন ঐ প্রেমিকা বা নববিবাহিতা স্ত্রী। পেশায় তিনি শিক্ষিকা। রাজধানী ঢাকার মহানগর আইডিয়াল স্কুলে শিক্ষকতা করতেন সাবরিনা আক্তার শাম্মী (২৮) নামের ঐ নববিবাহিতা। রাজধানীর মানিকনগরে ঘটনাটি ঘটে শনিবার দিবাগত রাতে। রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে মুগদা থানা পুলিশ। পুলিশ বলছে, মানিকনগরে স্বামীর বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ডোমকান্দি গ্রামের মৃত শাহ হেলাল উদ্দিনের মেয়ে সাবরিনা। স্বামী নিয়াজ হোসেন সাইদির সঙ্গে মুগদার মানিকনগর পুকুরপাড় এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, সাবরিনা ও নিয়াজ সহপাঠী। ৮-৯ বছর যাবৎ তাদের প্রেমের সম্পর্কের পর চলতি মাসের ১৫ তারিখ তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামীর সঙ্গে থাকতেন। পরিবারের বরাত দিয়ে তিনি জানান, সাবরিনা খুব অভিমানী ছিলেন। শনিবার রাতে স্বামীর সঙ্গে সামান্য মনোমালিন্য হওয়ায় সবার অগোচরে নিজের রুমে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি। দেখতে পেয়ে স্বামীর পরিবারই তাকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে সেখানে নেওয়ার পরপরই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত সাবরিনার মা শাহনাজ বেগমসহ স্বজনরা জানান, মহানগর আইডিয়াল স্কুলে শিক্ষকতা করতেন তিনি। ১৫ দিন আগে তাদের বিয়ে হয়। কেন হঠাৎ এমন কাজ করেছে সে বিষয়ে কেউই কিছু অনুমান করতে পারছেন না। ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে মরদেহটি নিয়ে যান স্বজনরা।