1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞ ও সাহসী সাহাবি

ধর্ম ডেস্ক
  • Update Time : বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১২৪ Time View

হজরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) ছিলেন সাহিবুল হিজরাতাইনের একজন। সাহাবিদের মধ্যে যাঁরা হাবশা ও মদিনায় দুই জায়গাতেই হিজরত করেছিলেন, তাঁদের বলা হয় ‘সাহিবুল হিজরাতাইন’। হাবশা থেকে পরে তিনি ফিরে আসেন মক্কায়। তারপর হিজরত করেন মদিনায়।

মদিনায় হিজরতের কিছুদিন পর তিনি এক আনসারি নারীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর একদিন তিনি রাসুল (সা.) এর খিদমতে হাজির হলেন। তাঁর কাপড়ে হলুদের দাগ দেখে রাসুল (সা.) জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি কি বিয়ে করেছ?’

আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) বললেন, ‘হ্যাঁ।’

রাসুল (সা.) জিজ্ঞেস করলেন, ‘বিয়েতে মোহর কত নির্ধারণ করেছ?’

তিনি বললেন, ‘কিছু সোনা।’

রাসুল (সা.) বললেন, ‘একটি ছাগল দিয়ে হলেও ওয়ালিমা করে নাও।’ (বুখারি)

রাসুল (সা.) এর নির্দেশে তিনি ওয়ালিমার দায়িত্ব সেরে নেন।

ইসলামের জন্য অপরিসীম ত্যাগের জন্য যাঁরা পৃথিবীর জীবনেই জান্নাতের সুসংবাদ লাভ করেছেন, তাঁদের মধ্যে আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) অন্যতম। যৌবনের শুরুতেই ইসলাম গ্রহণ করে তিনি ইসলাম প্রচারে সর্বাত্মকভাবে নিয়োজিত হয়েছিলেন।

ইসলামের সূচনালগ্নে ইসলাম গ্রহণকারী প্রত্যেককেই অবিশ্বাসীদের চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে গেলে আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা) হাবশায় হিজরত করেন।

হজরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) রাসুল (সা.) এর সঙ্গে সব যুদ্ধেই অংশ নিয়েছেন এবং সাহস ও দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন। ইবনে হাজারের মতে, ওহুদ যুদ্ধে ইবনে আউফের শরীরের ৩১টি স্থানে আঘাত লেগেছিল।

ষষ্ঠ হিজরির শাবান মাসে রাসুল (সা.) মদিনা থেকে প্রায় ৩০০ মাইল উত্তরে দুমাতুল জান্দালে একটি অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়ে আবদুর রহমান (রা.) কে তার দায়িত্ব দেন। যাত্রার আগে রাসুল (সা.) নিজ হাতে আবদুর রহমানের মাথার পাগড়ি খুলে একটি কালো পাগড়ি তাঁর মাথায় বেঁধে দেন। তারপর তাঁকে যুদ্ধের নীতি সম্পর্কে কিছু উপদেশ দিয়ে বিদায় জানান।

রাসুল (সা.) এর নবুয়তপ্রাপ্তির পর প্রথম পর্যায়ে ইসলাম গ্রহণ করে যাঁরা ‘সাবেকিনে আওয়ালিন’এর বিশেষ মর্যাদায় ভূষিত হয়েছিলেন, আবদুর রহমান (রা.) তাঁদের মধ্যে একজন। দারুল আরকামে রাসুল (সা.) এর প্রশিক্ষণে তিনি ছিলেন নিয়মিত অংশগ্রহণকারী।

আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) ছিলেন কোরআন ও হাদিসে পরিপূর্ণ জ্ঞানী, পরামর্শদানে বিজ্ঞ, বিচার ফয়সালার ক্ষেত্রে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এবং ফতোয়ায় অভিজ্ঞ। প্রথম তিন খলিফার খিলাফতকালে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে খলিফাদের পরামর্শ দিয়ে মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved