ত্বকের সব সৌন্দর্য যেন নষ্ট করে দেয় গাল ভর্তি ব্রণ। এই সমস্যায় শুধু নারীরা নয় বরং পুরুষরাও ভুগে থাকেন।যদিও সঠিক চিকিৎসায় ব্রণ বা ফুসকুড়ির হাত থেকে মুক্তি মেলে। তবে প্রতিনিয়ত মুখে ওষুধ বা ক্রিম মাখা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।
এর চেয়ে ভরসা রাখুন প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদানে। এতে করে আপনার ত্বকে কোনো খারাপ প্রভাব পড়বে না। জেনে নিন পাঁচটি ভেষজ উপাদান সম্পর্কে যেগুলো ব্রণের সমস্যা দূর করে ত্বককে করবে মসৃণ-
নিমপাতা
এর জাদুকরী ক্ষমতা সম্পর্কে সবারই কমবেশি জানা আছে। এই পাতা খুব ভালো জীবাণুনাশক। তাই ব্রণ সারাতে নিমপাতা খুবই উপকারী। নিমপাতা বেটে এর সঙ্গে চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণ ত্বকে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
পাতিলেবুর রস
ব্রণের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের জন্য পাতিলেবুর রস খুবই প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। দিনে দুই থেকে তিনবার ব্রণের জায়গাগুলোতে লেবুর রস ব্যবহার করুন। তবে একটানা ১০ মিনিটের বেশি রাখবেন না। এরপর ধুয়ে ফেলুন।
পুদিনা পাতার রস
এই পাতার রস আইস কিউব করে নিন। এরপর সেটি ফুসকুড়ি ও ব্রণের স্থানে ঘষুন ১০ থেকে ১৫ মিনিট। এতে ফুসকুড়ি ও ব্রণের সংক্রমণ তো কমবেই সঙ্গে ত্বকের জ্বালাপোড়া ভাবও দূর হবে।
গোলাপজল
এটি নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের দাগ কমে যায়। দারুচিনি গুঁড়ার সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণ ব্রণের ওপর লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রণের সংক্রমণ, চুলকানি এবং ব্যথা অনেকটাই কমে যাবে।
পাকা পেঁপে
ব্রণের সমস্যা সমাধানে পাকা পেঁপেও খুব ভালো দাওয়াই। পেঁপে চটকে নিয়ে এর সঙ্গে মেশান এক চামচ পাতিলেবুর রস এবং প্রয়োজন মতো চালের গুঁড়া। মিশ্রণটি মুখসহ পুরো শরীরে লাগান। ২০ থেকে ২৫ মিনিট ম্যাসেজ করে ধুয়ে ফেলুন। পেঁপে ছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরার রস। খবর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম।