1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন

শীতের রাতে আল্লাহর নৈকট্য লাভের বিশেষ আমল

অনলাইন ডেস্ক:
  • Update Time : বুধবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১২৩ Time View
ছবি- সংগৃহীত।

এখন শীতকাল, রাত অনেক বড়। সহজেই শেষ রাতে উঠে বিশেষ ইবাদত করা যায়। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কুরআনে বলেন, ‘সূর্য ঢলে পড়ার পর থেকে শুরু করে রাতের আধার ঘনিয়ে আসা পর্যন্ত নামাজ প্রতিষ্ঠিত করো আর প্রভাতে কোরআন পড়াকে গুরুত্ব প্রদান করো। প্রভাতে কুরআন পাঠ নিশ্চয়ই এমন যে তা সাক্ষ্য প্রদান করে থাকে, আর রাতের এক অংশেও তার (কুরআন পাঠের) সাথে তাহাজ্জদ পড়তে থাকো। এটা তোমাদের জন্য হবে নফল বিশেষ। আশা করা যায় তোমার প্রভু প্রতিপালক তোমাকে এক বিশেষ প্রশংসনীয় মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করবেন’ (সুরা বনী ইসরাইল, আয়াত: ৭৮-৭৯)।



উল্লিখিত আয়াতে আমাদেরকে আল্লাহতায়ালার নৈকট্য লাভের পদ্ধতি শেখানো হয়েছে। আমরা যদি তার নৈকট্য লাভ করতে চাই তাহলে আমাদেরকে নীরবে একনিষ্ঠ হয়ে তার কাছে কান্নাকাটি করে আমাদের পাপসমূহের ক্ষমা চাইতে হবে।



আল্লাহপাক ক্ষমাশীল, তিনি চাইলে আমাদের পাপ ক্ষমা করতে পারেন। আমাদের কাজ হচ্ছে ক্ষমা চাইতে থাকা আর দোয়া করতে থাকা। ক্ষমা করবেন কি করবেন না এটা একান্তই আল্লাহতায়ালার কাজ। দোয়া করার উত্তম একটি সময় হল গভীর রাত অর্থাৎ তাহাজ্জুদের সময়।



হাদিসে এসেছে, হজরত বেলাল (রা.) বর্ণনা করেছেন, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘তাহাজ্জুদ নামাজ তোমাদের নিয়মিতভাবে পড়া উচিত, কেননা এটা অতীতকালের সৎকর্মশীলদের পদ্ধতি ছিল এবং স্রষ্টার নৈকট্য লাভের মাধ্যম ছিল। এই অভ্যাস পাপকর্ম থেকে বিরত রাখে, মন্দকর্ম দূর করে আর শারীরিক রোগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা করে’ (তিরমিজি, আবওয়াবুদ দাওয়াত)।



অপর একটি হাদিসে রয়েছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রাতে শেষ প্রহর যখন আসে আল্লাহতায়ালা তখন পৃথিবী সকাশে অবতরণ করেন আর বলেন, আছে কী কেউ? যে আমার কাছে দোয়া যাচনা করবে আর আমি তার দোয়া কবুল করবো। কেউ কী আছে? যে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে আর আমি তাকে মার্জনা করবো। কেউ কী আছে? আছে সে তার নিজের দু:খ ক্লেশ দূর করার জন্য দোয়া করলে আমি দু:খ ক্লেশ বিদূরিত করবো। এভাবে আল্লাহতায়ালার এই আহ্বান করা (ততক্ষণ পর্যন্ত) চলতেই থাকে এমন কি সুবেহ সাদেক-প্রভাতের আলোক রেখা ফুটে ওঠে।’ (মুসনাদ আহমদ বিন হাম্বল, ২য় খণ্ড)



অপর আরেকটি হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, হজরত আবু হুরায়ারা (রা.) আরও বর্ণনা করেন, মহানবী (সা.) বলেন, ‘সেই ব্যক্তির ওপর আল্লাহতায়ালা রহম করুন যে রাতের বেলায় জেগে ওঠে ও নামাজ পড়ে আর প্রিয়তমা স্ত্রীকে জাগিয়ে দেয়। স্ত্রী জেগে ওঠতে গরিমসি করলে তার মুখমন্ডলে পানি ছিটিয়ে দেয় যাতে সজাগ হয়ে সে ওঠে পড়ে। অনুরূপভাবে আল্লাহতায়ালা সেই মহিলার প্রতিও রহম করুন, প্রথমে জেগে ওঠে, নামাজ পড়ে আর প্রিয়তম স্বামীকেও জাগিয়ে তুলে। স্বামী জেগে ওঠতে গড়িমসি করলে তার মুখমণ্ডলে পানি ছিটিয়ে দেয় যাতে সে জেগে ওঠে।’ (আবু দাউদ, কিতাবুস সালাত)



তাই আসুন, অলসতা পরিহার করে রাতগুলোকে জাগ্রত করি ইবাদতের মাধ্যমে। আল্লাহতায়ালার কাছে ক্রন্দনরত হয়ে দোয়া করি তিনি যেন বিশ্ববাসীকে ক্ষমা করেন এবং মহামারি করোনা ও ওমিক্রন থেকে রক্ষা করেন।

লেখক: ইসলামি গবেষক ও কলামিস্ট
masumon83@yahoo.com

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved