ইসলামের পরিভাষায় জমি মর্গেজ বা বন্ধক নেয়া যাবে। কোনো ব্যক্তি যদি ঋণগ্রস্থ হওয়ার কারণে কারো কাছ থেকে লোন নেয় তাহলে সে ঐ টাকার গ্যারান্টি হিসেবে তার জমি বন্ধক রাখতে পারবে। এতে কোনো গুনাহ হবে না।
তবে এখানে একটা জটিলতা হচ্ছে বন্ধকের সম্পত্তি কোনোভাবেই ব্যবহার করা যাবে না। যার কাছে জমি বন্ধক রাখা হবে তার ঐ সম্পত্তি ব্যবহার করার অনুমতি নেই। উদাহরণস্বরূপ ঃ কোনো ব্যক্তি আমার কাছ থেকে কিছু টাকা নিয়ে তার জমি বন্ধক রাখলো।
আরও পড়ুন : বৈবাহিক সম্পর্ক ও বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের মধ্যে পার্থক্য
যদি সে নির্ধারিত সময়ে টাকা না দেয় অথবা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায় তাহলেই আমি তার সম্পত্তি ভোগ করতে পারবো। অন্যথায় ঐ জমি ভোগ করতে পারবো না। ভোগ করলে তা সুদের মধ্যে পড়বে যা সম্পূর্ন হারাম।
অর্র্র্র্থাৎ কাউকে টাকা ঋণ দিয়ে টাকার গ্যারান্টি হিসেবে জমি বন্ধক নিলে কোনো গুনাহ হবে না কিন্তু টাকা ঋণ দেওয়ার বিনিময়ে কোনো লাভের কথা চিন্তা করলে বা লাভ করলে তাতে গুনাহ হবে।
যদি এরকম হয় লাভ না দিলে আপনি কারো কাছ থেকে ঋণ নিতে পারবেন না তাহলে আপনার জমি ইজারা দিতে হবে। উদাহরণস্বরূপ ঃ কোনো ব্যক্তি আমার কাছ থেকে টাকা ঋণ নিয়ে জমি ইজারা নিলো এবং এক বছর পর সে আমার সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করার অঙ্গিকারবদ্ধ করলো।
আমার এই জমিটি এক বছর ব্যবহার করার ফলে যে পরিমান টাকা লাভ হয় সে টাকাটা তার লোন নেওয়া মোট টাকা থেকে বাদ দিয়ে যে টাকাটা বাকী থাকে তার কাছ থেকে শুধু ঐ টাকাটাই গ্রহণ করতে পারবো। একটি পয়সাও বেশি নিলে তা সুদের মধ্যে গিয়ে পড়বে।