কথার মাধ্যমে পরস্পর বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয়, আবার কথার দ্বারা তৈরি হয় শত্রুতা। কথা বলার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করে জিহ্বা। সেই অর্থে মানবদেহের সব অঙ্গ জিহবার ওপর নির্ভরশীল। হাদিসে এসেছে, আবু সাঈদ খুদরি (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, যখন আদম সন্তান ভোরে উঠে তখন তার অঙ্গগুলো জিহবাকে বিনয়ের সঙ্গে বলে, আমাদের সম্পর্কে আল্লাহকে ভয় করো।
কেননা আমরা সবাই তোমার সঙ্গে জড়িত। সুতরাং তুমি ঠিক থাকলে আমরাও ঠিক থাকব। আর তুমি বাঁকা হলে আমরাও বাঁকা হয়ে পড়ব। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪০৭)
অশ্লীল কথাবার্তা খারাপ চরিত্রের লক্ষণ।
কাম প্রবৃত্তি তাড়িত হয়ে মানুষ সাধারণত অশ্লীল কথা বলে থাকে। আবার ক্রোধের বশবর্তী হয়েও মানুষ এ ধরনের অশালীন কথাবার্তা বলে থাকে। ইসলামে অশালীন ও অশ্লীল কথাবার্তা বলা নিষিদ্ধ। এহেন ঘৃণ্য কর্মে যারা অভ্যস্ত, নিরীহ জনসাধারণ তাদের অন্তর থেকে ঘৃণা করে এবং পারতপক্ষে তাদের এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে।
আয়েশা (রা.) বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, হে আয়েশা! নিকৃষ্টতম লোক হচ্ছে ওই ব্যক্তি, যাকে তার অশ্লীলতার জন্য লোকে পরিত্যাগ করে বা বর্জন করে। (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৯৬)
সত্য, সুন্দর ও সঠিক কথা বলতে না পারলে চুপ থাকবে। এটা নবীজির নির্দেশ। রাসুলুল্লাহ (সা.) আরো বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস পোষণ করে সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে। (বুখারি, হাদিস : ৬৪৭৫)