বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, এবারের নির্বাচন টেন্ডারবাজি, বোমাবাজি, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে একটি নির্বাচন। আমি আশা করি, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচন একটি ফেয়ার নির্বাচন হবে। সে নির্বাচনে জনগণ কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই নিশ্চিন্তে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। জনগণের সেই ভোটে বিজয় নিয়েই ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. বাবুল মিয়ার জালালপুর গ্রামের বাড়িতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কেউ যদি মনে করে জোর করে রাজনীতি করবে, তা বর্তমানে সম্ভব নয়। আমি বাবার পথে হাঁটছি বলে বাবার মতো চুপ থাকব—এটা ভাবলে ভুল করবেন। ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগ সরকার আমার বাবার বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু এবার আমার বিজয় ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। কেউ যদি প্রভাব বিস্তার করে, ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার নেতাকর্মী বা কোনো ভোটারকে দমিয়ে রাখতে চায়, তাহলে তারা এখনো বড় ভুলের মধ্যে বসবাস করছে।
তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘হাঁস’ মার্কায় নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করে ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের মেয়েই আমি। আপনারা আপনাদের মেয়েকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন। আমার কাছে আপনারা যেভাবে খোলামেলা কথা বলতে পারবেন, অন্য কোনো এমপির কাছে সেভাবে বলতে পারবেন না।
তিনি আরও বলেন, আমি সরাইল ও আশুগঞ্জসহ বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ও বুধন্তী ইউনিয়ন নিয়ে স্বপ্ন দেখি। পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে শান্তির নগরী হিসেবে এসব এলাকাকে গড়ে তুলতে চাই।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন—চান্দুরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. বাবুল মিয়া, রেণু মিয়া, চান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবু সাঈদ মেম্বার, মাজেদা খাতুন মেম্বার, নিরঞ্জন দাস, অমৃত দাস, নরেন্দ্র পাল, শান্ত পাল, যশিনী পাল, মুক্তার মেম্বার, আল আমিন, রনি, আকবর হোসেন, আবুল কাশেম, বাবলু মিয়া, রাখাল ঋষি, মনির চৌধুরী, ইন্দ্র দাসসহ শত শত মানুষ।