অল্প বয়সে বিয়ে করার সফলতা ! বিয়ে হচ্ছে একটি সামাজিক চুক্তি। যার মাধ্যমে একজন পুরুষ এক বা একাধিক নারীর সাথে সমাজস্বীকৃত উপায়ে একত্রে বসবাসের সুযোগ পায়। এটি হল এমন একটি সামাজিক বন্ধন বা বৈধ চুক্তি যার মাধ্যমে দু’জন মানুষের মধ্যে দাম্পত্য সর্ম্পক স্থাপিত হয়।
ইসলামে অল্প বয়সে বিয়ে করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পৃথিবীতে যেসব ব্যক্তি বিখ্যাত হয়েছেন, তারা সবাই অল্প বয়সে বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। বিয়ে করলে মহান আল্লাহ তা’আলা নিয়ামত বাড়িয়ে দেন, দারিদ্রতা দূর করে দেন। আমাদের বর্তমান সমাজে একটি ভুল কুসংস্কার রয়েছে যে, চাকুরী পাওয়ার আগে বিয়ে করা যাবে না।
স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান মাত্র আঠারো বছর বয়সে বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া কাজী নজরুল ইসলাম, মহাত্মা গান্ধী, উইলিয়াম শেক্সপিয়রও অল্প বয়সে বিয়ে করেছেন। এসব ব্যক্তিরা বিয়ে করে সফল হয়েছেন আর আমরা সফল হয়ে বিয়ে করতে চাই। সেজন্য ছেলের বাবা আর মেয়ের বাবাকে বলি ছেলেমেয়ে যদি প্রাপ্তবয়স্ক হয় তাহলে বিয়ে দিয়ে দিন।
বিয়ে করা সুন্নত। এ প্রসঙ্গে মহানবী (সাঃ) বলেন, যে আমার সুন্নতকে পছন্দ করে না, সে আমার উম্মত দাবি করতে পারবে না। দুনিয়ার সব নবীরাই যে ৪টি কাজ করেছেন তার মধ্যে একটি হচ্ছে বিয়ে। বিয়ে করলে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়। বিয়ে না করা পর্যন্ত একজন মুসলমানের ঈমান পরিপূর্ণ হয় না।
বিয়ে করলেই একজন মুসলমানের ঈমান পরিপূর্ণ হয়। একজন ঈমানদারের বিশেষ দোয়ার মধ্যে একটি দোয়াই হওয়া উচিত এটা। দিন দিন বিয়ে করা কঠিন হয়ে যাওয়ার কারণেই উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েরা তাদের যৌবনকে নষ্ট করে দিচ্ছে। এ যৌবনের তাড়নায় যুবক বয়সে তারা যে পাপগুলো করে , সে পাপের গুনাহর কিছু অংশ অভিভাবকদের উপর গিয়েও পড়ে।
বিয়ে হচ্ছে জান্নাতি ভালোবাসার একটি বন্ধন । কারণ হযরত আদম (আঃ) আর বিবি হাওয়া (আঃ) দুইজনেরই বিয়ে হয়েছিল জান্নাতে। সফল হওয়ার মাধ্যমই হচ্ছে তাড়াতাড়ি বিয়ে করা। যে সমাজে বিয়ে করা কঠিন, সে সমাজে যেনা করা সহজ। সফলতা অর্জনের জন্য তাই তাড়াতাড়ি বিয়ে করতে হবে।