তিন বিষয়ে প্রমোশনের দাবিতে আমরণ অনশন করছেন সাত কলেজের ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা। আজ রবিবার (২৪ শে জানুয়ারি ) বেলা ১১ টায় পুরান ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজের মূল ফটক অবরোধ করে এই আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা।
আশ্বাস নয় সমাধান চাই, We want promotion, ৩ বিষয়ে প্রমোশন চাই, বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই সহ নানান রকমের স্লোগান দিয়ে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে ইডেন মহিলা কলেজের ২০১৭-১৮ বর্ষের শিক্ষার্থী দিলরুবা চৌধুরী বলেন, সেশনজট এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে অনেক সময় নষ্ট হয়ে গিয়েছে। দয়া করে আমাদের শিক্ষাজীবন থেকে ৩টি বছর নষ্ট করবেন না। আমরা ০৩ বিষয়ে প্রমোশন চাই।
আরও পড়ুন:- স্ত্রীর সঙ্গে কয়েদীদের একান্ত সাক্ষাৎ ও জেলখানায় ধর্মীয় মোটিভেশন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নানান অনিয়ম এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধেও বক্তব্য দেন তারা। তীব্র সেশনজট নিরসন, অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল বিপর্যয়, ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা দূরীকরণসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচী পালন করছেন অধিভুক্ত সাত কলেজের ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।
এ ব্যাপারে সাত কলেজের প্রধান সমন্বয়ক কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খন্দকারকে একাধিক বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য যে, বিগত কয়েকবার দফায় দফায় আন্দোলন এবং মানববন্ধন করেও কোনো কার্যকরী ফলাফল না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা এবার আমরণ অনশনের সিদ্ধান্ত নেয়।
শিক্ষার মান বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সরকারি সাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ( ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় আড়াই লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছেন। বিগত ০৪ বছর পার হয়ে গেলেও এখন পযর্ন্ত সাত কলেজের সমস্যা গুলোর সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা করা হয়নি। যার ফলে শিক্ষার্থীদের হতাশা এবং ক্রোধ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ সহ প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ অতি দ্রুত চাইছে সাত কলেজের ভুক্তভোগী সাধারণ শিক্ষার্থীরা।