1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে যেভাবে ভোট দেবেন

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২০
  • ১৯৬ Time View
ইভিএম। ছবি: ফাইল, সংগৃহীত।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রায় সাড়ে ৫৪ লাখ ভোটার শনিবার ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমে ভোট দিতে যাচ্ছেন।

দুই সিটিতেই শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। এর মধ্যে উত্তরে ১ হাজার ৩১৮টি এবং দক্ষিণে ১ হাজার ১৫০টি কেন্দ্রে এই ভোট হবে।

ভোট কেন্দ্রের ঝামেলা এড়াতে আগে থেকেই জেনে নিন আপনার কেন্দ্রের নাম ও ভোটার নাম্বার।

এসএমএস, অ্যাপ ও ওয়েবসাইট থেকে ভোট দিতে যাওয়ার আগে এসব তথ্য সহজেই জেনে নিতে পারেন।

একজন ভোটার মোবাইলের এসএমএস অপশনে গিয়ে ‘PC<Space> NID নম্বর’ লিখে ১০৫-এ পাঠালে ফিরতি এসএমএসে তার কেন্দ্রের নাম ও ভোটার নম্বর পেয়ে যাবেন।

যেমন কারও এনআইডি নম্বর যদি 1234567890 হয়, তাকে এসএমএসে লিখতে হবে PC<Space>1234567890, তারপর পাঠাতে হবে 105 নম্বরে।

নির্বাচন কমিশনের এনআইডি উইংয়ের ওয়েবসাইটে (https://services.nidw.gov.bd/voter_center) গিয়ে যে কেউ তার ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানতে পারবেন।

এছাড়াও ভোটকেন্দ্র খুঁজে পাওয়ার জন্য একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে নির্বাচন কমিশন। https://services.nidw.gov.bd/resources/forms/PollingCenter.apk – এই লিংক থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাবে। সেখানেই পাওয়া যাবে বাকি নির্দেশনা।

ভোট দিতে ভোটারের জাতীয় পারিচয়পত্র বা স্মার্টকার্ড সঙ্গে থাকা বাধ্যতামূলক নয়। তবে জটিলতা এড়াতে সঙ্গে থাকলে সুবিধা হবে বলে জানাচ্ছেন নির্বাচনী কর্মকর্তারা।

কয়েকটি উপায়ে ভোটারের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার।

পরিচয় যাচাই শেষে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ওই ভোটারের জন্য ইলেকট্রনিক ব্যালট ইস্যু করবেন।

ভোটিং মেশিনের মাধ্যমে গোপন কক্ষে রক্ষিত ইলেকট্রনিক ব্যালট ইউনিটে মেয়র, সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদের জন্য তিনটি ব্যালট ইস্যু করা হবে। এরপর ভোটারকে পাঠানো হবে গোপন কক্ষে।

গোপন কক্ষে প্রবেশ করে ভোটার পাবেন তিনটি ইলেকট্রনিক ব্যালট ইউনিট। প্রতিটি ব্যালট ইউনিটের স্ক্রিনে প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক থাকবে। প্রত্যেক প্রতীকের পাশে থাকবে একটি করে সাদা বোতাম।

যাকে ভোট দিতে চাইবেন, তার মার্কার পাশের সাদা বোতামে চাপ দিলেই তা সিলেক্ট হয়ে যাবে। এরপর ব্যালট ইউনিটের নিচে CONFIRM লেখা সবুজ বোতামে চাপ দিলেই ভোট দেওয়া হয়ে যাবে।

CONFIRM লেখা সবুজ বোতামে চাপ দেওয়ার আগে ভোটার সর্বোচ্চ দুইবার তার পছন্দ বদলানোর সুযোগ পাবেন। তৃতীয় যে সাদা বোতামে তিনি চাপ দেবেন, সেটাই তার পছন্দের মার্কা হিসেবে মেশিন গ্রহণ করবে।

একই পদ্ধতিতে তিনটি পদের জন্য নির্ধারিত ব্যালট ইউনিটে ভোট দিতে হবে একজন ভোটারকে। যদি তিনি কোনো পদে ভোট দিতে না চান, তাহলে ওই ব্যালট ইউনিটের নিচে লাল রঙের ‘CANCEL’ বোতামে পরপর দুই বার চাপ দিতে হবে। তিনটি ব্যালট ইউনিটে ভোটার তার সিদ্ধান্ত দেয়ার পরই কেবল তার ভোট গৃহীত হবে। খবর যুগান্তর।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved