1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন

ক্যানসারের চেয়ে ভয়াবহ রক্তদূষণ রোগ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৭৭ Time View
সেপসিস ‘গুপ্ত ঘাতক’ হিসেবেও পরিচিত [ছবি: সংগৃহীত]

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী একটি রোগ রক্তদূষণ বা সেপসিস। এটি রক্তের বিষ হিসেবেও পরিচিত। বিশ্বজুড়ে পাঁচজনের মধ্যে একজনের মৃত্যু ঘটে এই সেপসিসের কারণে। কোনো সংক্রমণ প্রতিরোধে শরীর যখন অনেক বেশি প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে তখন সেপসিসের উদ্ভব হয়।

সম্প্রতি ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলেছেন, বছরে এক কোটি ১০ লাখ মানুষ সেপসিসে মারা যাচ্ছে; আশঙ্কার কথা যা কী-না ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যার চেয়েও অনেক বেশি। গবেষকরা বলেছেন, এই উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান আগের ধারণার তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, সেপসিসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন দরিদ্র এবং মধ্যম আয়ের দেশের মানুষ, তবে ধনী দেশগুলোকেও এই সেপসিস মোকাবিলায় কাজ করতে হচ্ছে।

সেপসিস কী? সেপসিস ‘গুপ্ত ঘাতক’ হিসেবেও পরিচিত। কারণ এটি শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে। মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অস্বাভাবিক কাজ করার ফলে এই সেপসিস হতে পারে। এই প্রতিরোধ ক্ষমতা কেবল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার পরিবর্তে শরীরের অন্যান্য অংশগুলিতেও আক্রমণ শুরু করে। এক পর্যায়ে মানুষের অঙ্গ অকেজো হয়ে যায়। এমনকি বেঁচে থাকা মানুষেরও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি ও অক্ষমতা নিয়ে চলতে হতে পারে। যেসব ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের কারণে ডায়রিয়া সংক্রমণ বা ফুসফুসের রোগ হয়ে থাকে সেগুলোই সেপসিস হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড়ো কারণ। সেপসিসে আক্রান্ত ব্যক্তির হার্ট রেট স্বাভাবিকের চাইতে বেশি হয়।

সেপসিসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের মানুষ। শতাংশের হিসেবে যা প্রায় ৮৫%। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে শিশু এবং বৃদ্ধরা। পাঁচ বছরের কম বয়সী ১০ জন শিশুর মধ্যে চার জনের সেপসিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সেপসিসে আক্রান্ত হওয়ার যেসব লক্ষণ রয়েছে তার মধ্যে রয়েছে, অস্পষ্ট কথা, চরম কাঁপুনি বা পেশী ব্যথা, সারাদিনে কোনো প্রস্রাব না হওয়া, মারাত্মক শ্বাসকষ্ট, দ্রুত হৃত্স্পন্দন এবং শরীরের তাপমাত্রা অনেক বা কম হওয়া, ত্বকের রং একেক জায়গায় একেক রকম বা ছোপ ছোপ দাগ।

শিশুদের মধ্যে সেপসিসে আক্রান্ত হওয়ার যেসব লক্ষণ রয়েছে তার মধ্যে রয়েছে—চেহারা দেখতে নীলচে বা ফ্যাকাসে হয়, ত্বকের রং একেক জায়গায় একেক রকম দেখায়, খুব অলস থাকে বা ঘুম থেকে জাগানো কঠিন হয়ে পড়ে, শিশুর শরীর স্পর্শ করলে অস্বাভাবিক ঠাণ্ডা অনুভূত হয়, খুব দ্রুত শ্বাস নিলে, ত্বকে এক ধরনের ফুসফুসি হলে এবং হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়া বা খিচুনি।-বিবিসি, ইত্তেফাক।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved