1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন

ভোলা জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি হাফিজ ইব্রাহীমের পকেট কমিটি

বিজ্ঞাপন
  • Update Time : রবিবার, ৯ জুলাই, ২০২৩
  • ১১০ Time View

ভোলা জেলা বিএনপির সদ্য ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি হাফিজ ইব্রাহীমের নিয়ন্ত্রিত পকেট কমিটি বলে অভিযোগ করেছেন দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। অভিযোগ রয়েছে, হাফিজ ইব্রাহীম দম্ভ করে বলে বেড়াচ্ছেন যে, তার ছোট ভাই দীর্ঘ কারাবন্দী ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দীন আল মামনুকে দিয়ে চাপ সৃষ্টি করে কেন্দ্রের নিকট থেকে জেলা আহবায়ক কমিটি তিনি ভাগিয়ে এনেছেন। যে কারণে কমিটিতে স্থান পাওয়া অধিকাংশই তার লোকজন। যারা বিতর্কিত বলে জানিয়েছেন দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। এরি ধারাবাহিকতায় জেলা কমিটির শীর্ষ পদধারীরা হাফিজ ইব্রাহিম ও মামুনের নাম শুনামাত্রই এক পায়ে দাঁড়িয়ে যান। এ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে দ্বীপ জেলা ভোলার সর্বত্র।

এলাকাবাসী ও দলীয় সূত্রে জানাগছে, বিএনপির আহবায়ক কমিটি ঘোষিত হওয়ার পর থেকে কমিটির সদস্যদের বিতর্কিত কর্মকান্ডে যেন পিছু ছাড়ছে না। কমিটিতে স্থান পাওয়া নেতারা হাফিজ ইব্রাহীম ও মামুনের নামে এতোটাই অজ্ঞান যে, দলের চেয়ারপার্সন ও তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবী বাদ দিয়ে এবং আগামী দিনের রাষ্ট্র নায়ক তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করে শুধুমাত্র বিতর্কিত মামুনের মুক্তির দাবী সংবেলিত ব্যানার নিয়ে বরিশাল বিভাগীয় তারুন্যের সমাবেশে যোগদান করেছেন। এতে দলের দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা জেলার নব গঠিত কমিটির এহেন নির্লজ্জ দালালীর তীব্র নিন্দাসহ প্রতিবাদী হয়ে উঠেছেন।

জানা গেছে, জেলার চিহ্নিত বিতর্কিত কিছু দালাল নব গঠিত কমিটিতে স্থান পেয়ে প্রথম দিন থেকেই তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের হীন চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছেন। এ কারণে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবী না করায় এবং তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না চাওয়ার ঐ কর্মকান্ডে অসন্তোষ জেলা ছাড়িয়ে কেন্দ্রে পর্যন্ত সমালাচনার ঝড় বইছে। হাফিজ ইব্রাহীমসহ তার অনুসারীরা আবারো পূর্বের স্বরূপে নব কমিটিকে কব্জায় নিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য অযাচিত হস্তক্ষেপ করে চলেছেন। গত ২৪ জুন তারুণ্যের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে জেলা বিএনপি’র মিছিলের প্রধান ব্যানারসহ কোথাও দলের চেয়ারপার্সন ও সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবী করে একটি ব্যানারও ছিলো না। এমনকি তারেক রহমানের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা বাতিল চাওয়ার কোন ব্যানারও ছিলো না। উল্টো যিনি বিএনপি কখনোই করেনি এবং বিএনপির কোন অঙ্গসংগঠনের পদ-পদবীতে নেই। এমনকি যিনি বিএনপির রাজনীতির কোন নিয়ামক নন, দীর্ঘ সময় ধরে কারাবন্দী সেই মামুনের মুক্তি চাই শব্দ সমাবেশে দৃষ্টি গোচর হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে, যারা বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত সেই তোফায়েল-আজমদের ব্যবসায়ী পার্টনার ও ভোলা জেলা বিএনপিকে নেতা-কর্মী শুন্য করার মূল হোতা হাফিজ ইব্রাহিমের অঙ্গুলির ইশারায় তার ভাই মামুনকে নিজ স্বার্থের গুটি বানিয়ে ঐ ব্যানারগুলো করা হয়েছে বলে অভিমত নেতা-কর্মীদের। এতে নেতা-কর্মীদের মাঝে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে ঘোষিত নতুন ভোলা জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির প্রকৃত আভিভাবক কে তোফায়েল আহম্মেদ? নাকি ব্যবসায়িক পার্টনার হাফিজ ইব্রাহীম?

সৌজন্যে: ভোলা জেলা অবহেলিত নেতাকর্মীবৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved