অনেকের জন্য অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়া ক্রমশ মানসিক দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে ওঠে। এর ফলে আত্মবিশ্বাসেরও ঘাটতি দেখা দেয়। তাছাড়া বিভিন্ন জায়গায় লজ্জারও কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ডাক্তারি পরিভাষায় কম বয়সে চুল পেকে যাওয়াকে প্রিম্যাচিওর ক্যান্যাইটিস বলে। এ সমস্যার কারণ অনেকটাই জিনগত। স্ট্রেসের ফলে শরীরে আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিডের অভাব হতে পারে। যার থেকে চুলে অকালপক্কতা দেখা দেয়। লিভারের ধারাবাহিক সমস্যা থাকলেও কম বয়সে চুল পেকে যায়। তাই সে ক্ষেত্রে লিভারের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাও জরুরি। এই সমস্যা পুরোপুরি জিনগত নয়। ২০ শতাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, উত্তরাধিকার সূত্রে লিউকোডার্মার সমস্যা হতে পারে। তাই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
সাধারণভাবে চুল পেকে যাওয়া রোধে চারটি পদ্ধতি বেশ কার্যকরী। চলুন জেনে নেয়া যাক সেগুলো-
> চুল রং করতে হেনা-মেহেন্দির মতো ন্যাচারাল প্রডাক্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। কারণ কেমিক্যাল প্রডাক্টে অনেক ক্ষেত্রে অ্যালার্জির ভয় থাকে।
> ভিটামিনের অভাব দূরীকরণের জন্য ৬ মাস বা এক বছরের কোর্স করা যেতে পারে। এছাড়া রোজকার ডায়েটে সবুজ শাক বা টাটকা ফল থাকা ভীষণভাবে জরুরি।
> পাকা চুল তুলে ফেললে পাকা চুল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে, এটা কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। যদি সামান্য কয়েকটা চুল সাদা হয়ে থাকে, তবে সেগুলো তোলার বদলে রুট থেকে কেটে ফেলাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
> যে সমস্যার ওপর আপনার হাত নেই, তা নিয়ে ভেবে ভেবে চুল আরো সাদা করে ফেলার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে আপনি যা করতে পারেন, তা হলো খাদ্যাভাসে বদল ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। আর চুল রং করা এখন ফ্যাশন। সমস্যার জন্য হোক বা মনের খুশিতে হোক, চুল রাঙিয়ে নেয়ার সুযোগ তো সব সব সময়ই রয়েছে। তবে সেক্ষেত্রেও কী প্রডাক্ট ব্যবহার করছেন, তা নিয়ে অবশ্যই সতর্ক হবেন। খবর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম।