1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন

শিশুর মেধা বাড়বে পাঁচ খাবারেই!

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৭ জুন, ২০২০
  • ৮০ Time View

শিশুকালই হচ্ছে শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশসাধনের উত্তম সময়। এসময় যদি শিশু সঠিক ও সুস্থভাবে বেড়ে ওঠে তবেই তার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। তাইতো শিশুর খাদ্যতালিকায় বিশেষ কিছু খাবার রাখুন এবং সেগুলোর প্রতি বেশি গুরুত্বারোপ করুন।

শিশুদেরকে নিয়মিত ফল ও শাকসবজি খাওয়ানোর পাশাপাশি এমন কিছু খাবার রাখুন, যা তাদের মস্তিষ্কের বিকাশসাধন বা মেধা ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করবে। চলুন জেনে নেয়া যাক এমন পাঁচটি খাবার সম্পর্কে যা শিশুর মেধা ও মনোযোগ বৃদ্ধি করবে। এই খাবারগুলো ১২ মাস ও তদোর্ধ্ব বয়সের বাচ্চাকে খাওয়াতে পারবেন।

হোল গ্রেন

শিশুদের সকালের নাস্তায় হোল গ্রেন (গোটা শস্য) রাখা উচিত। কার্বোহাইড্রেটে সমৃদ্ধ এই খাবার মস্তিষ্কের জ্বালানি হিসেবে গ্লুকোজ ও এনার্জির যোগান দেয়। এতে প্রচুর বি ভিটামিনও থাকে, যা নার্ভাস সিস্টেমকে সুস্থ ও পুষ্ট রাখে। অনেক গবেষণায় পাওয়া গেছে, হোল গ্রেনের ব্রেকফাস্ট শর্ট-টার্ম মেমোরি ও মনোযোগ বৃদ্ধি করতে পারে। অন্যদিকে সকালের নাশতা হিসেবে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণে এমন লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখা যায়নি। হোলগ্রেনে উচ্চ পরিমাণে ফাইবারও রয়েছে, যা শরীরে গ্লুকোজ সাপ্লাই নিয়ন্ত্রণ করে।

ডিম

শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশসাধন হয় উল্লেখযোগ্য হারে। এসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী একটি পুষ্টি হচ্ছে কোলাইন। মস্তিষ্কের গভীরে স্মৃতিকোষ তৈরি করতে কোলাইনের প্রয়োজন রয়েছে। ডিমের কুসুমে পর্যাপ্ত কোলাইন পাওয়া যায়। আট বছর পর্যন্ত প্রতিদিন যতটুকু কোলাইন লাগে তার প্রায় সমপরিমাণ পুষ্টি একটি ডিমের কুসুম সরবরাহ করতে পারে। ডিমে প্রচুর প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন এ ও ফোলেটও রয়েছে- এদের প্রত্যেকটিই কোষের বৃদ্ধি, বিকাশসাধন ও মেরামতে দরকার। তাই শিশু ডিমের প্রতি অ্যালার্জিক না হলে তাদেরকে প্রতিদিন ডিম খেতে উৎসাহিত করুন।

বিনস

শিমের বিচির মতো বিচি প্রকৃতির খাবারে (বিনস) উচ্চ মাত্রায় প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায়। পিন্টো ও কিডনি বিনসে ওমেগা ৩ ফ্যাট বেশি থাকে, যা মস্তিষ্কের বৃদ্ধি ও কার্যক্রমের জন্য দরকারী। শিশুদের বিনস খাইয়ে স্কুলে পাঠালে ক্লাশরুমে মন বসবে। এছাড়া এসব খাবার তাদেরকে দীর্ঘসময় সতেজ রাখবে।

তৈলাক্ত মাছ

তৈলাক্ত মাছ অনেক উপকার করতে পারে। মস্তিষ্কের বিকাশসাধন ও স্বাস্থ্যের জন্য ওমেগা ৩ সমৃদ্ধ মাছ খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কোষের বিকাশসাধনের জন্য অন্যতম বিল্ডিং ব্লক হচ্ছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এ পুষ্টি নিউরোট্রান্সমিটার ফাংশনে ভূমিকা রেখে আচরণগত সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। কিছু গবেষণায় নিম্নমাত্রার ওমেগা ৩ এর সাথে কম মেধার যোগসূত্র দেখা গেছে এবং অন্যদিকে ওমেগা ৩ সাপ্লিমেন্টেশনে মেমোরি ফাংশন বৃদ্ধি পেয়েছিল।

দুধ

দুধ, দই ও পনির এতটা পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার যে শিশুর ডায়েটে চোখ বন্ধ করে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। দুধ জাতীয় খাবারের প্রোটিন, বি ভিটামিন ও অন্যান্য পুষ্টি মস্তিষ্কের টিস্যু, নিউরোট্রান্সমিটার ও এনজাইমের গ্রোথের জন্য প্রয়োজনীয়। এসবকিছু মস্তিষ্কের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। আরেকটি উপকারিতা হচ্ছে, এসব খাবার ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ বলে এগুলো খেলে দাঁত ও হাড় মজবুত হবে তথা সুস্থ থাকবে। শিশুদের বয়স অনুসারে বিভিন্ন মাত্রার ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হতে পারে। আপনার শিশুকে দুই থেকে তিন ধরনের ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে চেষ্টা করুন। খবর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved