এখন কাঁচা আম বাজারে খুব সহজেই পেয়ে যাবেন। কাঁচা আমের ভর্তার কথা শুনলেই জিভে পানি এসে যায়। তবে সারা বছর ধরে কাঁচা আমের আচার সংরক্ষণ করা যায়।
বিভিন্নভাবে টক, মিষ্টি আচার তৈরি করে বছরজুড়ে খেতে পারেন। ঝুম বৃষ্টির দিনে খিচুড়ি বা পোলাওয়ের সঙ্গে আমের আচার একেবারে মন ভুলিয়ে দেয়। আজ ডেইলি বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য রইল কাঁচা আমের দুইটি ভিন্ন স্বাদের আচারের রেসিপি-
আম-রসুনের আচার

আম-রসুনের আচার
উপকরণ: খোসা ছাড়া কাঁচা আমের টুকরা দুই কাপ, সরিষার তেল এক কাপ, রসুন ছেঁচা এক কাপ, মেথি এক টেবিল চামচ, মৌরি এক টেবিল চামচ, জিরা এক টেবিল চামচ, কালো জিরা দুই চা চামচ, সিরকা আধা কাপ, হলুদ গুঁড়া দুই চা চামচ, শুকনা মরিচ ১০ থেকে ১২টি, চিনি দুই টেবিল চামচ ও লবণ পরিমাণ মতো।
প্রণালী: আমের টুকরোগুলোতে লবণ মাখিয়ে সারারাত রাখুন। পরের দিন ধুয়ে কয়েক ঘণ্টা রোদে রেখে দিন। রেসিপির সব মসলা মিহি করে বেটে বা ব্লেন্ডারে পেস্ট বানিয়ে নিন। এরপর চুলায় সসপ্যানে তেল গরম করুন। ছেঁচে নেয়া রসুন দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে তারপর বাটা মসলা দিয়ে মিশিয়ে নিন। এবার আম দিয়ে নাড়তে থাকুন।
কিছুক্ষণ রান্না করার পর আম নরম হলে, চিনি দিয়ে মিশিয়ে নিন। চিনি গলে ঘন হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এরপর আচার ঠাণ্ডা হলে কাঁচের বোয়ামে ভরে নিন। বোয়ামের মুখ পর্যন্ত তেল দিয়ে ঢাকতে হবে। এরপর টানা কয়েকদিন রোদে দিয়ে সংরক্ষণ করুন।
আমের কাশ্মীরি আচার

আমের কাশ্মীরি আচার
উপকরণ: আম দুই কেজি, চিনি দেড় কেজি, ভিনেগার ২ কাপ, শুকনা মরিচ ১০ থেকে ১২ টি, আদাকুচি ৩ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালী: আমের খোসা ছাড়িয়ে কিউব করে কেটে নিন। ধুয়ে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর পানি থেকে উঠিয়ে যতটা সম্ভব পানি ঝরিয়ে নিন। শুকনো মরিচ কাঁচি দিয়ে চিকন করে কেটে দানা বাদ দিন। চুলায় হাঁড়িতে চিনি ভিনেগার দিয়ে ফুটাতে থাকুন।
যদি আচারে লাল ভাব আনতে চান তবে চিনির সঙ্গে খেজুরের গুড় দিতে পারেন।
এরপর শুকনো মরিচ, আদা ও লবণ দিন। ঘন হয়ে আসলে, তাতে আমের টুকরা দিয়ে নাড়ুন। এসময় চুলার আঁচ কমিয়ে রান্না করুন। আম সিদ্ধ হয়ে গলে যাওয়ার আগেই নামিয়ে কাচের বোতলে ভরে রাখুন। ঠাণ্ডা হলে বোতলের মুখ বন্ধ করে সংরক্ষণ করুন। খবর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম।