1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন

সাত কারণে অতি শাসন সন্তানের জন্য ক্ষতিকর

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২০
  • ৬৩ Time View

সন্তান বড় করতে বাবা-মাকে অনেক কষ্ট পোহাতে হয়। সন্তান যাতে কোনো খারাপ পথে পা না বাড়ায় সেজন্য তাকে শাসনও করেন। তাছাড়া সন্তানের ভবিষ্যৎ যাতে নষ্ট না হয় সেদিকেও বাবা-মার থাকে কড়া নজর।

তবে দুরন্ত বাচ্চাকে কথা শোনাতে, বাধ্য আচরণ করাতে কিংবা নিয়মের মধ্যে রাখতে একটু বেশি কঠোর হন অনেকেই। এক্ষেত্রে ভেবে দেখেছেন কি আপনার অজান্তেই আপনি তার কতটা ক্ষতি করে চলেছেন! শাসনের বেড়াজালে আবদ্ধ করে রাখলেই সন্তান আদর্শ মানুষ হয়ে বেড়ে ওঠে, তা ঠিক নয়। বরং আপনার রুক্ষ রূপ ও আচরণ তার সঙ্গে আপনার দূরত্ব আরো বাড়িয়ে দেয়। এতে সে মানসিকভাবে ক্ষতির শিকার হয় এবং পাশাপাশি তার মননশীলতার বিকাশও বাধাগ্রস্ত হয়।

আপনার সন্তানের অন্যায় আচরণের জন্য তাকে আপনি সীমিত শাসন করতেই পারেন। তবে তা যেন কখনোই মাত্রা ছাড়িয়ে না যায়। সব সময় শাসনের ভাষা দিয়ে সব ঠিক করা যায় না। বরং ভালোবাসা আর মমতা দিয়েও বখে যাওয়া সন্তানকে পথে আনা যায়।

চলুন জেনে নেয়া যাক অতি শাসন আপনার সন্তানের উপর যেসব ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে-

মানসিক বিকাশের পথ রুদ্ধ করে দেয়  

অতি শাসন বাচ্চাদের সাবলীল বিকাশের পথ রুদ্ধ করে দেয়। তার সৃজনশীলতা বিকশিত হওয়ার ক্ষেত্রে বাঁধা সৃষ্টি করে থাকে। সে হীনম্মন্যতায় ভোগে এবং যে কোনো বিষয়েই সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পায়। অনেকসময় অনেক শিশু হতাশায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

বাচ্চা ভীরুতা নিয়ে বেড়ে ওঠে

অনেকসময় অতিরিক্ত শাসনের ভয় বাচ্চাকে ভীতু বানিয়ে দেয়। সে সারাক্ষণ ভয়ে ভয়ে কাটানোর ফলে ভীরুতা নিয়ে বেড়ে ওঠে। এছাড়াও আপনার প্রতি তার বিরূপ ধারণা জন্ম নেয়।

বেশি একরোখা আচরণ করে 

অনেক সময় অতি শাসনে শিশু বখে যায়। অবাধ্য আচরণ বেড়ে যায়। জেদ করে একরোখা হয়ে গড়ে ওঠে। সে কথা তো শুনেই না বরং আরো সহিংস কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ে।

শারীরিক শাস্তি বিরূপ প্রভাব ফেলে

বাচ্চাকে বশে আনার জন্য শারীরিক শাস্তি প্রদান করা হোল। সে মনে করবে এটাই সঠিক পন্থা কাউকে বশে আনার ক্ষেত্রে। সে মন মানসিকতায় সহিংসতাকে সাপোর্ট করে বেড়ে উঠবে। আর তার মধ্যে ধারণা জন্মাবে যে, সবলরা দুর্বলের উপর সহিংস আচরণ করতেই পারে।

লেখাপড়ায় মনোযোগ কমে যায়

শারীরিক শাস্তির ভয়ে পড়তে বসলেও তা ঠিকমত আত্মস্থ করতে পারে না। ফলে পড়া ভালোভাবে মনে রাখতেও পারে না। সেক্ষেত্রে স্কুলেও আশাপ্রদ রেজাল্ট করতে পারে না। যার ফলে পড়ালেখার প্রতি অমনোযোগী হয়ে পড়ে।

মিথ্যা বলা শেখে

শাস্তির ভয়ে কথা গোপন করে বা মিথ্যা বলে। আর এই মিথ্যা থেকেই সব অসততার বীজ বপন শুরু হয়ে থাকে। ফলে তার নৈতিকতার ভিত দুর্বল হয়ে গড়ে ওঠে।

মা-বাবার সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে যায়

অতিরিক্ত শাসন মা-বাবার সঙ্গে সন্তানের দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়। অনেকসময় তিক্ত সম্পর্কের সূচনা হয়। যা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার। আর এই তিক্ত সম্পর্ক, দূরত্ব ইত্যাদির কারণে সুন্দর সাবলীল সম্পর্কগুলো নষ্ট হয়। খবর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved