সাবরেজিস্ট্রার অফিসে দাতা-গ্রহীতার কাগজপত্র আটকে রেখে টাকা আদায়ের ৫ দিন পর তা ফেরত দিয়েছেন অফিস সহকারী। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) রাতে চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ সাবরেজিস্ট্রার অফিসের ঐ অফিস সহকারী বিকাশে টাকা ফেরত দেন।
ঐ সাবরেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে জানা যায়, শশীভূষণ সাবরেজিস্ট্রার অফিসে বুধবার দাতা বাগন আলী দেওয়ান ও গ্রহীতা আকলিমা বেগম নামে দলিলের কাগজপত্র আটকিয়ে রেখে অফিস সহকারী (করণিক) আবুল কালাম আজাদ টাকা আদায় করেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
অফিসের সাবরেজিস্ট্রার ও অফিস সহকারী নিজেদের নিরাপদ রাখতে দাতা-গ্রহীতার বাড়িতে গিয়ে অফিসের ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী জাহাঙ্গীর আলম রেকর্ড ও ভিডিও নিয়ে আসেন এবং তাদের বলে আসেন আপনারা কেউ জিজ্ঞাসা করলে বলবেন অফিস টাকা নেয়নি। উৎকোচ নেওয়ার ৫ দিন পর শনিবার রাতে বিকাশে ৬ হাজার ৩শ টাকা ফেরত দিয়েছেন।
চরফ্যাশন দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মহাসীন পাটওয়ারী বলেন, আমার বাড়ির পাশে আকলিমা বেগমের কাছ থেকে কেরানী টাকা আদায় করেন। টাকা নেওয়ার ৫ দিন পর বিকাশে ৬ হাজার ৩ টাকা ফেরত দিয়ে গ্রহীতা আকলিমাকে বলেছেন ১২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে ওই টাকা নিয়ে নেবে।
করণিক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি ছিল। তাদের টাকা বিকাশে ফেরত দেওয়া হয়েছে।