1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
যৌতুক না পেয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে পিটিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয় আ.লীগ নেতা
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন

যৌতুক না পেয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে পিটিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয় আ.লীগ নেতা

গ্লোবাল প্রাইম ডেস্ক
  • Update Time : সোমবার, ২৪ জুলাই, ২০২৩
  • ২৪৯ Time View

৩ লাখ টাকা যৌতুক না পেয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে বেধড়ক পিটিয়ে বাড়ি থেকে দ্বিতীয় স্ত্রীকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগটি নওগাঁর রাণীনগরের ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মজিদ আকন্দের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। ভুক্তভোগী তার দ্বিতীয় স্ত্রী এ ঘটনায় ১৬ জুলাই নওগাঁ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেছেন। অভিযুক্ত আব্দুল মজিদ আকন্দ উপজেলার একডালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা আকন্দ সম্পর্কে ভুক্তভোগীর ফুফাতো ভাই। আকন্দের মার্কেটে গত বছর একটি দোকানঘর ভাড়া নিয়ে কাপড় সেলাইয়ের কাজ করতেন ভুক্তভোগী। কিছু দিন পর স্থানীয় কিছু বখাটে ভুক্তভোগীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে হয়রানি করতো। এরপর ভুক্তভোগী বিষয়টি আব্দুল মজিদ আকন্দকে জানান। পরে আওয়ামী লীগ নেতা আকন্দ ভুক্তভোগী ওই নারীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেন। পরে দুজনের সম্মতিতে কাজীর মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করেন তারা।

ভুক্তভোগী শিউলী বিবি বলেন, চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি মুসলিম শরিয়ত মোতাবেক এক লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে মজিদ আমাকে বিয়ে করে। বিয়ের পর মজিদ নানা কৌশলে আমার সঞ্চয় করা প্রায় ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে মজিদ তার ১ম স্ত্রী, মেয়ে, জামাই, ভাই ও ভাতিজাদের কুপরামর্শে আমার কাছ থেকে আরও তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। তার দাবিকৃত টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমার ওপর নির্যাতন শুরু করে আকন্দ।

পরে আমার সঙ্গে সংসার করবে না বলে জানায় আকন্দ। চলতি মাসের ৫ তারিখ বিকেলে মজিদসহ অন্যরা সবাই মিলে আমাকে মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরে আমি স্বামীর বাড়ি থেকে কোনো রকমে প্রাণে বেঁচে বাবার বাড়িতে আসি।

তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনার পর ৯ জুলাই মজিদ গোপনে তালাক নামা আমার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। তালাক নয়, সংসার করার জন্য আমিসহ আমার মা ও অন্যরা মজিদের বাড়িতে যাই। পরবর্তীতে ১২ জুলাই আমার বাবার বাড়িতে সন্ধ্যায় মজিদসহ অন্যদের নিয়ে বসলে যৌতুক ছাড়া মজিদ আমার সঙ্গে সংসার করবে না বলে পরিবারের সদস্যদের জানায়।

একপর্যায়ে যৌতুকের দাবিকৃত ৩ লাখ টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মজিদসহ অন্যরা লাঠিসোটা দিয়ে আমাকে মারধর করে। এতে আমি গুরুতর অসুস্থ হলে স্বজনরা আমাকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ফিরে চলতি মাসের ১৫ তারিখে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করতে ব্যর্থ হয়ে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি। বাধ্য হয়ে পরদিন ১৬ তারিখে মজিদকে প্রধান আসামি করে ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করি। অমানবিক নির্যাতনের সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।

শিউলির মা জিন্নাতুন বেওয়া বলেন, মজিদ আকন্দ বিভিন্ন প্রলোভনে আমার মেয়েকে বিয়েতে রাজি করায়। পরবর্তীতে মজিদ নিয়ম মাফিক আমাদের ও সাক্ষীদের উপস্থিতিতে কাজীর মাধ্যমে বিয়ে করে। বিনা কারণে মজিদ আমার মেয়েকে নির্যাতন করেছে। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল মজিদ আকন্দ স্ত্রীকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, যৌতুকের দাবিতে শিউলীকে মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি তাকে বিয়ে করেছিলাম। আমি তার সঙ্গে আর ঘর-সংসার করতে চাই না।

এ বিষয়ে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ বা মামলা করতে কেউ থানায় আসেনি এবং ঘটনা জানি না। বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি। আর আদালতে যদি মামলা হয়ে থাকে তাহলে আদালতের নির্দেশনা মেতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved