ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম আজ রোববার (১৪ মার্চ) সকাল সাড়ে আটটায় উত্তরা ও নিকুঞ্জে চলমান সমন্বিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ৮ মার্চ শুরু হওয়া ডিএনসিসির অঞ্চল ভিত্তিক সমন্বিত অভিযান (ক্রাশ প্রোগ্রাম) আজ রোববার ষষ্ঠ দিনে অব্যাহত ছিলো। আজ উত্তরা অঞ্চলে (অঞ্চল-১) এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উত্তরায় ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে আতিকুল ইসলাম বলেন, “গত সাতদিন আমি বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি। মশক নিধন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। মশক নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান সনাতনী পদ্ধতি থেকে আমাদেরকে আধুনিক পদ্ধতিতে যেতে হবে। আধুনিক পদ্ধতিতে যাওয়ার জন্য চতুর্থ প্রজন্মের কীটনাশক নোভালিউরন নিয়ে এসেছি। কিন্তু এগুলো যখন কাঠিতে গেঁথে জলাশয়ে দিয়েছি, তখন মাছের জাল দিয়ে তুলে ফেলা হয়েছে। তাই আমাদের মাইন্ড সেটআপ পরিবর্তন করতে সচেতনতা কার্যক্রম করতে হবে”।
মেয়র আরো বলেন, “আমরা গতকাল চল্লিশ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়েছি। সেখানে প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে মশা, মশা আর মশা। এটি একটি ব্যক্তিগত জায়গা। আমি বারবার বলছি ঘরের ভেতরের যেমন পরিষ্কার করতে হবে, ঘরের বাইরেও পরিষ্কার করতে হবে। এই চ্যালেঞ্জগুলো আমরা মাঠে ময়দানে দেখছি”।
আরও পড়ুন- চলছে ডিএনসিসি’র মশা নিধনে ক্রাশ প্রোগ্রাম
আসন্ন মৌসুমে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে মেয়র বলেন, “গতকাল বৃষ্টি হয়েছে। আমরা জানি বৃষ্টি হলে এডিস মশার উপদ্রব বাড়ে। সেটি আরেকটি চ্যালেঞ্জ শুরু হয়ে গিয়েছে। কিউলেক্স মশা নিধনের অভিযান শেষ হওয়ার সাথে সাথে এডিস মশার অভিযান শুরু হবে”।
আগামীকাল উত্তরখান ও দক্ষিণখান অঞ্চলে (অঞ্চল-৭ ও ৮) সমন্বিত মশক নিধন অভিযান পরিচালিত হবে। আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত এ অভিযান চলবে।
আজকের অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়েদুর রহমান, ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ আফসার উদ্দিন খান, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ ইসহাক মিয়া প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।