মহামারি করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে! এদেশেও আক্রান্ত ও মৃতের সংখা বাড়ছে। এ যাবতকালে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের বেশিরভাগই বয়স্ক। এজন্য করোনাকালে ঘরে থাকা বৃদ্ধ বাবা-মায়ের প্রতি নিতে হবে বিশেষ যত্ন ও সতকর্তা।
যাদের শরীরে দীর্ঘমেয়াদী কোনো সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এই করোনাভাইরাস। বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এমনিতেই কম থাকে এজন্য এই মরণ ব্যাধির সঙ্গে তাদের শরীর লড়াই করতে পারে না। ফলে এই সময় বয়স্কদের খুব সাবধানে রাখার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
১. তাদেরকে ঘরের বাইরে যেতে দেয়া যাবে না।
২. তাদেরকে একাকীত্ব বোধ করতে দেয়া যাবে না। এতে করে তারা মানসিকভাবে আরো বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।
৩. তাদের সঙ্গে গল্প করুন, একসঙ্গে রান্না করতে পারেন।
৪. ঘরের বাচ্চা আর বয়স্কদের একসঙ্গে রাখুন। এতে করে বাচ্চারও যেমন ভালো লাগবে তেমন সময় কাটবে বয়স্কদেরও।
৫. সামাজিক দুরত্বের বিষয়টিও মাথায় রাখুন।
৬. এই সময় খুব বেশি খবর শুনলে কিন্তু দুশ্চিন্তা বাড়বে। তার চেয়ে বই পড়া, সিনেমা দেখা বা গান শোনানোর ব্যবস্থা রাখুন ঘরের বয়স্কদের জন্য।
৭. ওষুধপত্র সময়মতো খাচ্ছেন কিনা খেয়াল রাখুন। এই সময় তাদের শরীর ও মন খুব ভালো থাকা দরকার।
৮. বাড়ির ছাঁদে বা ঘরের মধ্যে নিয়মিত তাদের হাঁটা-চলার ব্যবস্থা করে দিন।
৯. এই সময় তাদেরকে প্রচুর পুষ্টিকর খাবার খেতে দিন। বিশেষ করে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে যেসব খাবারে সেগুলো খাওয়ান।
১০. বাড়ির বাথরুম, দরজার হাতল, টেবিল চেয়ার বারবার জীবাণুনাশক দিয়ে মুছে নিন।
১১. বাইরের কাউকে এই সময় ঘরে ঢুকতে না দেয়াই ভালো।
১২. ঘরের বয়স্কদের যেন অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
১৩. তাদেরকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার দিন। সবচেয়ে ভালো হয় আদা, গোলমরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, কাঁচা হলুদ ফুটিয়ে পানীয় তৈরি করে খাওয়ালে। এই পানীয়টি লেবুর সঙ্গে মিশিয়ে চায়ের মতো খাওয়াতে পারেন।
১৪. লাল চা-ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, তাও খেতে দিতে পারেন।
১৫. এই সময় যে কোনো সমস্যা হলে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ভুলবেন না। সূত্র: ফেমিনা, ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম।