1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন

ফেসবুককে ভেঙে দিতে মামলা !

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৬৩ Time View
ছবি: সংগৃহীত।
কয়েক বছর ধরে কিছুতেই বিতর্ক এড়াতে পারছে না ফেসবুক। ২০১৮ সালের ‘ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা’ কেলেঙ্কারির পর থেকে সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না ফেসবুকের। ২০২০ সালে এসে অন্য যেকোনও সময়ের চেয়ে বড় এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি।

মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ‘দ্য হিল’ জানিয়েছে, ফেসবুককে ভেঙে দিতে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এবং দেশটির ৪০ জনেরও বেশি অ্যাটর্নি জেনারেল। গত বুধবার (৯ ডিসেম্বর) এই মামলা দুটি করা হয়।
মামলায় সোশ্যাল নেটওয়ার্ক মার্কেটপ্লেসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কমাতে উঠতি কোম্পানিগুলোকে অবৈধভাবে নির্মূল করে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয় ফেসবুকের বিরুদ্ধে। যুক্তরাষ্ট্রের আইনে কোনও ব্যবসার একচেটিয়া অধিকার ভোগ করার সুযোগ নেই। ফেসবুক এ আইনের লঙ্ঘন করে সামাজিক মাধ্যমের একচেটিয়া প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ফেসবুক একচেটিয়া প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ায় ব্যবহারকারীদের কাছে কোনও উপযুক্ত বিকল্প নেই। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি) ও ৪৮ জন অ্যাটর্নি জেনারেল এই সমস্যার সমাধানের একটি প্রস্তাব করেছেন। তারা বলছেন, বিভাজনই হতে পারে সবচেয়ে সেরা সমাধান।
বিশেষ করে ফেসবুকের মালিকানায় থাকা ফটো শেয়ারিং অ্যাপ ইনস্টাগ্রাম এবং মেসেঞ্জার সার্ভিস হোয়াটসঅ্যাপকে যেনো আলাদা করা হয়, সেজন্য বিচারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা। ফেসবুক ফটো শেয়ারিং অ্যাপ ইনস্টাগ্রামকে কিনে নেয় ২০১২ সালে এবং হোয়াটসঅ্যাপকে কেনে ২০১৪ সালে।
বিক্রি হওয়ার আগে ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ ফেসবুকের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। এ বিষয়টি এফটিসি তাদের অভিযোগে উল্লেখ করেছে। এক্ষেত্রে ২০০৮ সালে ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের একটি মেইলের বক্তব্য উল্লেখ করেছেন তারা। ওই মেইলে জাকারবার্গ বলেছিলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার চেয়ে কিনে নেওয়া ভালো।’
ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ কেনার সময় এ ধরনের কথা বার বার বলেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে হোয়াটসঅ্যাপকে কিনে নেওয়ার আগে ফেসবুকের প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মেসেজিং অ্যাপগুলোর পক্ষ থেকে আসা চ্যালেঞ্জ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তখনকার ওই পরিচালক মেইলে উল্লেখ করেন, ‘মেসেজিং প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছ থেকে আমরা বড় ধরনের হুমকির সম্মুখীন হচ্ছি। ফেসবুকে আমার পাঁচ বছরের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বড় হুমকি। আমরা আতঙ্কিত।’
ফেসবুক কর্তৃপক্ষের এ ধরনের মন্তব্য স্পষ্টতই একচেটিয়া মনোভাব প্রকাশ করে। ধীরে ধীরে প্রতিদ্বন্দ্বী উঠতি প্রতিষ্ঠানগুলোকে কিনে নিয়ে নিজেদের বাজার মসৃণ করেছে ফেসবুক। যে কারণে শেষ পর্যন্ত এর বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে এফটিসি ও অ্যাটর্নিরা।
এখন প্রশ্ন হলো, তাহলে কি ভেঙে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি? ফেসবুকের আধিপত্য কি তাহলে কমে আসবে? এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় এখনও আসেনি। তবে ফেসবুক ভেঙে যাওয়া এবং এর আধিপত্য কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
তেমনই একজন হলেন যুক্তরাষ্ট্রের সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটির নিউ হাউজ স্কুলের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষজ্ঞ জেনিফার গিরগিয়েল। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এজন্য সময় ও পরিকল্পনা দরকার। ফেসবুকের মালিকানায় থাকা ছোট ছোট প্রতিষ্ঠানকে কিনে নেওয়ার ক্ষমতা আছে অন্য অনেক প্রতিষ্ঠানের।’
ইতিহাস বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে সর্বশেষ ফেসবুকের সমপর্যায়ের কোনও প্রতিষ্ঠানের বিভাজন হয়েছে ১৯৮৪ সালে। তখন বেল সিস্টেম নামের একটি কোম্পানিকে সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়, যারা প্রত্যেকেই পরবর্তীতে স্বাধীন টেলিকম সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করেছে। ফেসবুকের ক্ষেত্রেও এমনটি হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়।খবর ট্রিবিউন

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved