1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন

নিহত রুম্পার দেহে মেলেনি ধর্ষণের আলামত: চিকিৎসক

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১০৪ Time View
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নিহত ছাত্রী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পা। ছবি: সংগৃহীত।

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার দেহে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। মাইক্রোবায়োলজিক্যাল রিপোর্টে এমনটিই জানানো হয়েছে।

শনিবার ঢাকা মেডিকেলে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ঢাকা মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ।

রুম্পার ময়নাতদন্তকারী এই চিকিৎসক বলেন, ময়নাতদন্তের তিনটি প্রতিবেদনের মধ্যে একটি এসেছে। এর মধ্যে মাইক্রোবায়োলজিক্যাল রিপোর্টে বলা হয়েছে, রুম্পাকে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনটি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পরবর্তী সময়ে দেওয়া হবে।

রুম্পাকে হত্যা করা হয়েছে, না আত্মহত্যা করেছেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এর আগে রুম্পার মামলার তদারক কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা দক্ষিণ বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত) উপ-কমিশনার জানিয়েছিলেন, রুম্পার হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সিদ্ধেশ্বরী নিউসার্কুলার রোডের আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সের ছাদ থেকে পড়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

একটি সূত্র জানায়, ঘটনার দিন মৃত্যুর আগে রুম্পা রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী নিউসার্কুলার রোডের আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সের পঞ্চম তলায় তার এক বান্ধবীর বাসায় যান। সেখানে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করে আব্দুর রহমান সৈকতের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক বিচ্ছেদের কথা বলে কান্নাকাটি করেন। সে সময় তিনি মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত ছিলেন। বান্ধবী তাকে বুঝিয়েও মন ভালো করতে পারেননি। এক পর্যায়ে বান্ধবীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসায় ফেরার কথা জানান রুম্পা। তবে তিনি আর বাসায় ফেরেনি বলে তদন্তে জানা গেছে।

রুম্পার বান্ধবী এ বিষয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্টদের জানিয়েছেন, সৈকতের সঙ্গে রুম্পার প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও সম্প্রতি তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে। সম্পর্ক ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর থেকে রুম্পা মানসিক অশান্তির মধ্যে ছিল। এই নিয়ে রুম্পা তার বাসায় এসে কান্নাকাটির এক পর্যায়ে কিছুটা অস্বাভাবিক হয়ে পড়েছিল।

ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় রমনা থানার এসআই আবুল খায়ের সেই রাতেই অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর ১১ ডিসেম্বর রুম্পার বন্ধু আব্দুর রহমান সৈকতকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

৪ ডিসেম্বর রাতে সিদ্ধেশ্বরী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন রাতে স্বজনেরা রমনা থানায় লাশের ছবি দেখে রুম্পার পরিচয় শনাক্ত করেন।

রুম্পার বাবা মো. রুকুন উদ্দিন হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক হিসাবে কর্মরত। মা নাহিদা আক্তার পারুল গৃহিণী। এক ভাই ও এক বোনের রুম্পা সবার বড় ছিলেন। রাজধানী ঢাকার শান্তিবাগে একটি ফ্ল্যাটে মায়ের সঙ্গে থেকে পড়াশোনা করতেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করাতেন রুম্পা।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ঘটনার আগে রুম্পা টিউশনি করে সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন। পরে কাজ আছে বলে বাসা থেকে বের হন। বাসা থেকে নিচে নেমে তার ব্যবহৃত মোবাইল ও পরা স্যান্ডেল বাসায় পাঠিয়ে দিয়ে এক জোড়া পুরনো স্যান্ডেল পায়ে বেরিয়ে যান তিনি। কিন্তু রাতে আর বাসায় ফেরেননি রুম্পা। স্বজনেরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে রমনা থানায় গিয়ে রুম্পার মরদেহের ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন স্বজনরা। খবর ইত্তেফাক।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved