ইউএস-বাংলা এয়ার লাইন্সের বহরে আরও ৭টি এটিআর ও বোয়িং এয়ারক্রাফট যুক্ত হচ্ছে। চলতি বছরের শেষে এবং আগামী বছরের শুরুতে তিনটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এবং ৪ টি ব্র্যান্ডনিউ এটিআর ৭২-৬০০ এয়ারক্রাফট যুক্ত হবে।
সোমবার (১ নভেম্বর) কক্সবাজারের একটি হোটেলে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম। বর্তমানে ইউএস-বাংলার বহরে ১৪ টি এয়ারক্রাফট রয়েছে। নতুন ৭টি নিয়ে মোট এয়ারক্রাফট হবে ২১টি।
‘১৯ নভেম্বর থেকে ঢাকা-মালে রুটে প্রথমবারের মতো সরাসরি ফ্লাইট শুরু করতে যাচ্ছে। আগামী বছরের শুরুতে ঢাকা-কলম্বো রুটেও ফ্লাইট শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে ইউএস-বাংলার।’
কামরুল ইসলাম জানান, গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে ক্রস কান্ট্রি ধারণায় ইউএস-বাংলা যশোর থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং উত্তরবঙ্গের একমাত্র সচল বিমানবন্দর সৈয়দপুর থেকে চট্টগ্রামে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। খুব শিগগির সৈয়দপুর থেকে কক্সবাজার, সিলেট থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার রুটেও ফ্লাইট শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামী বছরের মধ্যে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন যদি ক্যাটাগরি-ওয়ান অর্জন করতে পারে, তাহলে ইউএস-বাংলা ২০২৩ সালের মধ্যে ঢাকা-নিউইয়র্কে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এছাড়া ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্য বিশেষ করে লন্ডন, আমস্টারডাম, রোম, প্যারিসসহ বেশ কয়েকটি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মো. কামরুল ইসলাম আরও জানান, কলকাতা, চেন্নাই ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের গন্তব্য দুবাই, দোহা, মাস্কাট, সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, গুয়াংজুতে স্বল্প পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা। ব্যাংকক রুটেও ফ্লাইট শুরু হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মহামারিতে মানুষ দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে না পারায় দেশের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে আকাশ পথে যাত্রী সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমানে আকাশপথে মোট যাত্রীর প্রায় ৫০ শতাংশ বহন করছে ইউএস-বাংলা।