গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর বোমাবর্ষণের প্রতিবাদে ফিলিস্তিনের রাজধানী পূর্ব জেরুজালেম এবং পশ্চিমতীর এলাকার সাধারণ ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে হামাস। শুক্রবার
২৪ ঘণ্টার মধ্যে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে থাকা ১১ লাখের বেশি ফিলিস্তিনিকে সরে যেতে বলেছে দখলদার ইসরাইল। বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর)
ব্রাজিল শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক ডেকেছে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে চলমান সংঘাত নিয়ে আলোচনার জন্য। দেশটি বর্তমানে
হামাস-ইসরাইল সংঘর্ষের ৬ষ্ঠ দিনে দুপক্ষের ২৪০০ লোক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে পাঁচ সহস্রাধিক মানুষ। হামাসের হামলার জবাবে অবরুদ্ধ গাজায় বিমান
ফিলিস্তিনের গাজায় কয়েক দিন ধরে চলমান অবরোধ এবং বিরামহীন ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকারের বিষয়ে সৌদি আরবের অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সৌদি যুবরাজ
ইসরাইলের গোয়েন্দারা কোনোভাবেই টের পায়নি হামাসের সৈন্যরা হামলার আগে। এমনকি ফিলিস্তিনি সৈন্যদের বাধা দিতে পারেনি ইসরাইলের সুরক্ষিত সীমান্ত ব্যবস্থাও। মার্কিন
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, গাজা উপত্যকায় ইসরাইল যা করছে, তা কোনো রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের মতো নয়। হামাসের হামলার
হামাসের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের সমর্থনে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিবেশী সিরিয়া থেকেও ইসরাইলের ভূখণ্ডে হামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) সিরিয়া থেকে ছোড়া
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের হামলা অনেকটা কমে এলে গাজায় ইসরাইলি বিমান হামলা পঞ্চম দিনেও একটুকুও কমেনি। বরং মাত্রা আরও বেড়েছে।