বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমার সঙ্গে আজকে মঞ্চে বহু জাতীয় নেতৃবৃন্দ বসে আছেন। আজকে আমরা দুহাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করি- আল্লাহর রহমত আমরা চাই। আমরা জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। যেকোনো মূল্যে আমাদেরকে এই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। যেকোনো উসকানির মুখে আমাদের ধীর-শান্ত থাকতে হবে। আমারা দেশে শান্তি চাই, আমরা দেশে শান্তি চাই, আমরা দেশে শান্তি চাই। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর ৩০০ ফিটে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে তিনি এ সব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে বিশ্বনবীর ন্যায়পরায়ণতার আলোকে দেশ পরিচালনা করব। আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞতা করি যে, আগামী দিনে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে যারা আসবেন আমরা সকলে মিলে নবী করিম (সা.)-এর যে ন্যায়পরায়ণতা তার আলোকে দেশ পরিচালনা করবো।
তারেক রহমান বলেন, আসুন, আমরা আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনের দরবারে হাত তুলে প্রার্থনা করি- হে, রাব্বুল আল-আমিন, হে, একমাত্র মালিক, হে, একমাত্র পরওয়ারদিগার, হে, একমাত্র রহমতদানকারী, হে, একমাত্র সাহায্যকারী- আপনি যদি আজ আমাদের রহমত দেন তাহলে আমরা এ দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করার মাধ্যমে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারব। আজ যদি আল্লাহর রহমত, আল্লাহর সাহায্য, আল্লাহর দয়া মানুষের ওপর থাকে, ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।
তারেক রহমান বলেন, শহীদ ওসমান হাদি চেয়েছিলেন এ দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হোক। এ দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। ওসমান হাদিসহ চব্বিশের আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, একাত্তরে যারা শহীদ হয়েছেন, বিগত স্বৈচারের আমলে যারা গুম-খুনের শিকার হয়েছেন- এ মানুষগুলোর রক্তের ঋণ যদি শোধ করতে হয় আসুন আমরা সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, যেখানে আমরা সকলে মিলে কাজ করব।
দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আধিপত্যবাদ শক্তির বিভিন্ন শক্তি এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এজন্য আমাদেরকে ধৈর্যশীল হতে হবে, ধৈর্য ধারণ করতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের যেসব সদস্য আছেন আপনারাই আাগামী দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবেন, দেশকে গড়ে তুলবেন। এ দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মের সদস্যদের আজ গ্রহণ করতে হবে। যাতে করে এ দেশকে আমরা গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক শক্ত ভিত্তির ওপর গড়ে তুলতে পারি।