1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
২০১৩ সাল ছিল আওয়ামী লীগের হত্যার মহোৎসব: প্রেস সচিব - Globalprime24.com
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন

২০১৩ সাল ছিল আওয়ামী লীগের হত্যার মহোৎসব: প্রেস সচিব

গ্লোবাল প্রাইম ডেস্ক
  • Update Time : শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৮১ Time View

২০১৩ সাল ছিল আওয়ামী লীগের গুম ও খুনের এক মহোৎসব। শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে কতজনের মৃত্যু হয়েছে তার সঠিক তথ্য আমরা এখনো জানতে পারিনি। এ বিষয়ে সরকারের পাশাপাশি হেফাজতে ইসলাম নিজেরাও প্রকৃত আহত ও নিহতের তথ্য অনুসন্ধান করতে পারে।



শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) এফডিসিতে ‘ক্ষমতা হারানোর ভয়েই আওয়ামী সরকার শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে’ শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। সংস্থাটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। ছায়া সংসদে তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার বিতার্কিকদের পরাজিত করে তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদ্রাসার বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হয়।



তিনি বলেন, পতিত আওয়ামী সরকার বরাবরই হত্যার রাজনীতির মাধ্যমে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার কৌশল অবলম্বন করেছিল। ২০১৩ সালে হেফাজতের ওপর ক্র্যাকডাউন করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সরকার নিজেদের জঙ্গিবাদবিরোধী প্রমাণের চেষ্টা করেছে। জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদী তকমা দিয়ে ভিন্নমত দমনের লক্ষ্যে গুম ও খুন করাই ছিল পতিত সরকারের অন্যতম কৌশল।



শফিকুল আলম বলেন, শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কাভার করা ছিল আমার সাংবাদিকতা জীবনে এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা। সেই রাতে বারাকাহ, ইসলামী হাসপাতাল ও সিদ্ধিরগঞ্জের হাসপাতালগুলোতে গুলিবিদ্ধ অনেকের লাশ পাওয়া গেলেও সরকার তা স্বীকার করেনি।



প্রেস সচিব বলেন, হেফাজতের সমাবেশে যৌথবাহিনীর অপারেশনের পর শাপলা চত্বরের আশেপাশে সাদা পাঞ্জাবি পরা বহু মানুষকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পড়ে থাকা লাশ সিটি করপোরেশনের ময়লাবাহী গাড়িতে করে বিভিন্ন স্থানে গুম করার তথ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। দমকল বাহিনীর সদস্যদের পানি দিয়ে রাস্তায় জমে থাকা রক্ত পরিষ্কার করার কথাও শোনা গিয়েছিল। ৭ ও ৮ মে ভোরে জুরাইন কবরস্থানে হেফাজত কর্মীদের বহু মৃতদেহ দাফন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। যা সাভারের রানা প্লাজার অজ্ঞাত লাশ হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হয়েছিল।



সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ৫ মে গভীর রাতে হেফাজতে ইসলামের গণসমাবেশে যৌথবাহিনীর অভিযানে যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কময় অধ্যায়। ঘুমন্ত মুসল্লিদের ওপর এই বর্বর গণহত্যার বিচার এখন সময়ের দাবি। ৫ মে রাত ৩টার দিকে বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের অভিযানের পূর্বে সমাবেশস্থলের আশপাশের এলাকায় বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। ঘুট ঘুটে অন্ধকারে যৌথবাহিনী মুহূর্মূহু গুলি চালিয়ে ২০ মিনিটের মধ্যেই দখল করে নেয় হেফাজতে ইসলামের সমাবেশস্থল শাপলা চত্বর। এই বর্বরোচিত হামলার সংবাদ প্রচার অব্যাহত রাখায় দিগন্ত ও ইসলামিক টিভির সম্প্রচারও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved