নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইলের সফুরা খাতুন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। প্রধান শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানীর অভিযোগে সোমবার দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তারা এ বিক্ষোভ কর্মসূচী ও শমরাইল-আদমজী-নারায়ণগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে। এ সময় জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা এসে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াস দিলে শিক্ষার্থীরা সড়ক থেকে সরে যায়।
শিক্ষার্থীরা জানায়, সফুরা খাতুন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যাললয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বিভিন্ন শ্রেণী কক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে অশ্লীল আচরণ করেন এবং ছাত্রীদের শরীরে হাত দেন। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীর শিমরাইল-আদমজী-নারায়ণগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। খবর পেয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা এসে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা সড়ক থেকে সরে যায়। সেখান থেকে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের মাঠে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামের অপসারণ ও শাস্তি দাবি করেন।
সফুরা খাতুন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম সাংবাদিক বলেন, এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। সোহেল এবং বিল্লাল নামে দুই শিক্ষক তার বিরুদ্ধে এসব করাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ দুজন শিক্ষক বিদ্যালয়ে ঠিক সময়ে আসতো না তাই তাদের বেতন কর্তন করা হয়। পরবর্তীতে মিটিংয়ের আমি তাদের বেতন পরিশোধ করে দেই। তারা আমাকে ফাঁসানোর জন্য শিক্ষার্থীদের উস্কানি দিয়ে আন্দোলন করাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) হাফিজুর রহমান মানিক জানান, প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। পরে আমরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এ সময় জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা এসে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা সড়ক থেকে সরে যায়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসার শরীফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, আমরা এ বিষয়ে শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত করে আমরা দেখবো। আমরা দুই পক্ষের কাছ থেকে দুই রকম বক্তব্য পাচ্ছি। আমি এখন মিটিংয়ে আছি তাই এখন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বলা সম্ভব না।