নারায়ণগঞ্জে ১ লাখ ৫৬ হাজার করোনার টিকা (ভ্যাকসিন) কোভিশিন্ড এসে পৌছেছে মঙ্গলবার রাতে। তা সংরক্ষণ করা হয়েছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে।
এদিকে বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে টিকা সংরক্ষিত স্থান পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন কমিটির সভাপতি মো. মোস্তাইন বিল্লাহ। করোনার এই প্রতিষেধক নিরাপদ ও কার্যকর মন্তব্য করে জেলার সকলকে এটি গ্রহণের জন্য আহবান জানান ডিসি।
আরও পড়ুন : গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক
এ সময় তাঁর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ও কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন কমিটির সদস্যসচিব ভা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শামীম বেপারী, জেলা করোনা ফোকাল পারসন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. জাহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার কামরুল হাসান মারুফ প্রমুখ।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলায় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার ডোজ করোনার প্রতিষেধক (টিকা) এসে পৌছেছে। এসব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী দুই থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে নগরীর দু’টি সরকারি হাসপাতালসহ জেলার ছয়টি স্থান থেকে ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনার প্রতিষেধক কোভিশিল্ড নিরাপদ ও কার্যকর মন্তব্য করে জেলার সকলকে টিকা নেওয়ার জন্য আহ্ান জানান জেলা প্রশাসক।
তিনি বলেন, “আসুন আমরা করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণ করি, সুরক্ষিত থাকি। সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মদ ইমতিয়াজ জানান, এই ভ্যাকসিন নিরাপদ ও কার্যকর । আগ্রহী গ্রহীতাদের সুরক্ষা নামক অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করে এই কার্যক্রমের আওতায় আসতে হবে