1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
হলুদ-দুধ খেলেই বাড়বে রোগ প্রতিরাধ ক্ষমতা - Globalprime24.com
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন

হলুদ-দুধ খেলেই বাড়বে রোগ প্রতিরাধ ক্ষমতা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০
  • ৯৫ Time View

শুধু স্বাদ বুঝে খাবার খেলেই কি হবে? পুষ্টিগুণের কথাও তো চিন্তা করতে হবে। আপনি জানেন কি? হাতের কাছে থাকা বেশ কিছু উপাদানের সাহায্যেই কিন্তু আপনি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারবেন। এবার তবে জেনে নিন কোন খাবার খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে-

হলুদ-দুধ

কারকিউমিন থাকার কারণেই হলুদ স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। দুধে হলুদ মেশানো হলেই সম্পূর্ণ কারকিউমিন উপাদানটি পাওয়া যায়। এজন্য অবশ্যই দুধটুকুতে গাঢ় সর থাকতে হবে। কারণ এমনিতেই হলুদে কারকিউমিন থাকে মাত্র তিন শতাংশ।

তার উপর চিবিয়ে পানি দিয়ে খেয়ে নিলে, তার বেশিরভাই শোষিত হয় না। সেজন্যই গাঢ় সরের দুধের সঙ্গে খেলে কারকিউমিন পুরোটা শরীরে প্রবেশ করে। কারকিউমিন ফ্যাটে দ্রবীভূত হয়। কাজেই ফ্যাটজাতীয় খাবারের সঙ্গে খেলে উপকার বেশি।

আবার গোলমরিচ দিয়ে বেটেও খাওয়া যায়। কারণ গোলমরিচে আছে পিপারিন, যা কারমিউমিনের শোষণ প্রায় দুই হাজার শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। এখন মনে প্রশ্ন আসতেই পারে করোনাকালে হঠাৎ হলুদ খাবেন কেন?

তার মানে কি সে করোনা ঠেকায়? মোটেও না। কারকিউমিন শরীরে অহেতুক প্রদাহের প্রবণতা কমায়। যার হাত ধরে বেশ কিছু ক্রনিক অসুখের প্রকোপ কমে। ক্রনিক রোগের প্রকোপ কমা মানে শরীর সুস্থ থাকা। শরীরে রক্ত চলাচল ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

শরীরের ব্যথা কমার পাশাপাশি জীবাণু নাশ করে। তার সঙ্গে দুধের গুণ যুক্ত হলে ভারী হয় উপকারের পাল্লা। তবে গুঁড়ো হলুদ নয়। কারণ এতে ভেজাল হিসেবে থাকতে পারে বিষাক্ত মেটালিন হলুদ রং, বার্লি, ময়দা ইত্যাদি। কাঁচা হলুদ খান ভালো করে ধুয়ে। শুকনো গোটা হলুদও বেটেও খেতে পারেন।

কতটুকু খাবেন? দিনে ২৫০ মি.গ্রা খেলে সব দিক বজায় থাকে। যদিও বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন প্রদাহ কমানোর উপকার পেতে গেলে দিনে ৫০০ থেকে এক হাজার মি.গ্রা খাওয়া দরকার। সহজ হিসেবে, সকালে ও রাতে এক চা-চামচ করে খান। রান্নায় ব্যবহার করুন। বেশি খেলে আবার ক্ষতি হতে পারে।

হলুদের ক্ষতি? 

রক্ত পাতলা রাখে বলে গর্ভাবস্থায় খুব বেশি না খাওয়াই ভালো। যাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা আছে, তারাও সচেতন থাকবেন। কারণ হলুদে দুই শতাংশ অক্সালেট আছে, যার প্রভাবে কিডনিতে পাথর হতে পারে।

সকালে খালি পেটে খাবেন। এটি যখনই খান তার আধা ঘণ্টা আর কিছু খাবেন না। রাতে শোয়ার আগে হলুদ-দুধ খেতে পারেন, যদি দুধ এবং হলুদ সহ্য হয় পেটে, ঘুম ভালো হবে। খবর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved