অনেকেই রোগা হওয়ার জন্য ডায়েট করার সময়ে খাবারে লবণের পরিমাণ কমিয়ে দেন। আসলে লবণ শরীরে জলধারণ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে অনেকেই মনে করেন যে, এই জলের ওজনই বডিওয়েট বাড়িয়ে দিচ্ছে।
ডায়াটিশিয়ান সুবর্ণা রায়চৌধুরী জানালেন, “এই কথাটা পুরোপুরি সত্যি নয়। লবণ খেলে শরীরে জলধারণ ক্ষমতা বাড়ে ঠিকই। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তার থেকে ওজনও অনেকটা বেড়ে যাবে। এমনকি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় যাঁরা ভোগেন, তাঁদেরও প্রত্যেক দিন নির্দিষ্ট পরিমাণে লবণ রাখতে হবে খাদ্যতালিকায়।”
রোজ কতটা লবণ খাবেন?
কী লবণ খাবেন?
লবণের অভাবে যে সমস্যা হয়
লবণে শতকরা ৯৭-৯৯ ভাগই হল সোডিয়াম ক্লোরাইড। ফলে লবণ খাওয়া বন্ধ করলে প্রথমেই সোডিয়ামের অভাব হবে। এর অভাবে নানা রকমের শারীরিক সমস্যা দেখা দেবে। হুট করে প্রেশার কমে গিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও বিরল নয়।
খেয়াল রাখতে হবে
• সাধারণ মাখন, চিজ়, পাউরুটি ইত্যাদি খাবারে কিছুটা পরিমাণে লবণ থাকে। তাই এই জাতীয় খাবার রোজকার খাদ্যতালিকায় থাকলে অন্য খাবারে লবণের পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।
• যাঁরা রোজ কায়িক শ্রম বা ব্যায়াম বেশি করেন, তারা ডায়াটিশিয়ানের পরামর্শ মতো খাবারে লবণের পরিমাণ স্থির করুন। কারণ ঘামের মাধ্যমেও শরীর থেকে জল ও লবণ অনেকটাই বেরিয়ে যায়। ইলেকট্রোলাইট ব্যালান্স কম হলেও ডায়াটিশিয়ানের পরামর্শ নিয়ে নুনের পরিমাণ বাড়াতে হতে পারে।
• বাজারচলতি প্যাকেটজাত খাবার যেমন, চিপস, নাচোজ় থেকে শুরু করে হ্যাম, সসেজ, সয় সস, টম্যাটো সসেও লবণ থাকে। এই ধরনের খাবারের বিষয়েও সচেতন হবেন।
মাছ, মাংস বা ডিম থেকেও সোডিয়াম পাওয়া যায়। তবে রোজকার চাহিদা তাতে মেটে না। সেখানে অল্প লবণ অনেক সহজেই সেই ঘাটতি পূরণ করে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা।