সম্প্রতি কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় ছোট ছোট কিছু পোকা দলবেঁধে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়িঘরের গাছপালা গুলোতে আক্রমণ চালিয়ে উজাড় করে ফেলেছে বলে জানা যায়।যদিও পোকাগুলো উড়তে পারে না
। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পতঙ্গ বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানিয়েছেন, ‘কালো রঙের ডোরাকাটা এই পোকা গুলো দেখতে অনেকটা পঙ্গপালের মত। পোকার আক্রমণের খবর পেয়ে কক্সবাজার থেকে কৃষি কর্মকর্তা এসে পোকাগুলোর নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায়।তাঁরা জানিয়েছেন এই ধরনের পোকা আগে কখনো দেখেননি।
পোকাগুলোর ছবি দেখে অধ্যাপক রুহুল আমিন ধারণা করছেন, এগুলো স্খিস্টোসার্কা গ্রেগারিয়া প্রজাতির পঙ্গপাল। যেগুলো বেশ বিধ্বংসী হয়ে থাকে। বাংলাদেশে লোকাস্টা মাইগ্রেটোরিয়া প্রজাতির পোকা রয়েছে। যেগুলো ঘাসফড়িঙয়ের মতো। আকারে বড় হলেও, খুব বেশি ক্ষতিকর নয়।
নতুন ছোট প্রজাতির এই পোকাগুলো যদি পঙ্গপাল হয়ে থাকে এবং সেগুলো যদি এখনই নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, তাহলে সামনে বড় ধরণের বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন মি. আমিন। কেননা পঙ্গপাল বহুভোজী পোকা। এরা ঝাঁক বেঁধে শস্য, ফসল থেকে শুরু করে বন জঙ্গলে হামলা চালিয়ে সব উজাড় করে ফেলে। যেহেতু পোকাটি অনেক গাছপালা খেয়ে নষ্ট করে ফেলছে তাই একে ক্ষতিকর বলে মনে করছেন টেকনাফ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তারাও। এই পোকা যাতে আর ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য তারা স্থানীয়দের কীটনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছেন।
সূত্রঃবিবিসি