সময়ের সাথে তালে তাল মিলাতে গিয়ে প্রচুর ফাস্ট এবং আপডেটেড স্মার্টফোনও স্লো হয়ে যায়। আস্তে আস্তে এ সুপার ফাস্ট ফোনটিরও কার্যক্ষমতাও কমতে থাকে।
বর্তমান সময়ে স্মার্টফোনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে স্লো হয়ে যাওয়া। ক্রয় করার সময় যথেস্ট দ্রুতগতির ফোন ক্রয় করা হলেও কিছুদিন ব্যবহার করার পর একটা সময় পরে ফোনটি স্লো হয়ে যায়। যার কারনে ফোনে ঠিকঠাক মতো কাজ করা যায় না। আপনার স্মার্টফোনটি স্পীড স্লো হয়ে পড়লে কী করবেন!?
মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম আপডেট
বর্তমানে স্মার্টফোন স্লো হওয়ার প্রথম ও প্রধান কারণ হিসেবে অপারেটিং সিস্টেম সব সময় আপডেট না থাকা কে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। ওএস আপডেট রাখা অত্যন্ত জরুরি। অপারেটিং সিস্টেম এ ফোনে থাকা অ্যাপে দুটি সঠিক আপডেট থাকলে আপনার ফোন স্লো হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
অ্যাপস আপডেট রাখা
অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাপসগুলো আপডেট না রাখলে ফোনের গতি স্লো হওয়ার কারণ হতে পারে এ অ্যাপসগুলোই। তাই যে কোনো অ্যাপসের নতুন আপডেট এলেই সেই অ্যাপসটি আপনার কাছে অনুমতি চাইবে এবং আপনার কাজ শুধু সেটাকে আপডেট হওয়ার অনুমতি দিয়ে দেয়া।
ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট
যদি আপনার ব্যবহৃত স্মার্ট ফোনটির গতি অতিরিক্ত মাত্রায় কমে হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে আপনি ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট করে নিতে পারেন। ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট করার পূর্বে অবশ্যই আপনার অ্যান্ড্রয়েডের সব ডাটার ব্যাকআপ নিয়ে রাখতে হবে। অন্যথায়, ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট করলে ফোনের সকল ডাটা মুছে যাবে। এরপর রিসেট ডাটা সম্পূর্ণ হলে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি সবকিছু নতুনভাবে সেট-আপ করুন।
মেমরি স্টোরেজ ফুল
আপনি যদি আপনার স্মার্টফোনে অতিরিক্ত অ্যাপ, ছবি, গান, ভিডিও রাখেন যার কারণে অনেক সময়েই আপনার ফোনের মেমরি ভর্তি হয়ে যায়। তার ফলেই আপনার ফোনটি স্লো কাজ করে। এর কারণ হচ্ছে র্যাম যথেষ্ট মেমরি স্পেস দিতে পারে না। এর থেকে ফোনকে বাঁচতে যত দ্রুত সম্ভব আপনার ফোন থেকে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ, গান, ছবি, ভিডিও অথবা অন্য কোনো ফাইল ডিলিট করুন।
ব্যাটারি পরিবর্তন
অনেক সময় স্মার্টফোনের ব্যাটারি বহু দিনের পুরনো হলে ফোন স্লো কাজ করে। অল্প ব্যবহারেই ফোন অহেতুক গরম হয়ে যায়। এর থেকে আপনার স্মার্টফোনটিকে বাঁচাতে সময় থাকতেই ব্যাটারি বদলিয়ে ফেলুন। কারন অতিমাত্রায় গরম হয়ে যাওয়ায় যে কোনো সময় স্মার্টফোনটি ব্লাস্ট করতে পারে। যা আপনার জন্যও ক্ষতিকারক।