গত ৯ ডিসেম্বর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ভেঙে গেছে। ওই জোটের দলগুলো নতুন প্লাটফর্ম দাঁড় করিয়েছে। নাম দেওয়া হয়েছে ১২ দলীয় জোট। ১২টি দল বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই জোটের আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির সমমনা দলগুলো এই জোট করেছেন।
এক দশক আগে ২০১২ সালে ২০ দলীয় জোট গঠন করা হয়। সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের গতি ও ব্যাপ্তি বাড়াতে ২০ দলীয় জোট কার্যত ভেঙে দিয়েছে বিএনপি।
১০ ডিসেম্বর ঢাকার বিভাগীয় গণসমাবেশের আগের দিন এক অনানুষ্ঠানিক সভায় শরিকদের ডেকে বলে দেওয়া হয়, এখন থেকে কেউ যেন ২০ দলীয় জোটের নাম ব্যবহার না করে।
জোটগুলো হল:
১২ দলীয় এই জোটে রয়েছে মোস্তফা জামাল হায়দারের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি (জাফর), মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, আবদুল করিম আব্বাস ও শাহাদাত হোসেন সেলিমের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ লেবার পার্টি, সৈয়দ এহসানুল হুদার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় দল, কে এম আবু তাহেরের নেতৃত্বে এনডিপি, জুলফিকার বুলবুল চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, মুফতি মহিউদ্দিন ইকরামের নেতৃত্বে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, মাওলানা আবদুর রকীবের নেতৃত্বে ইসলামী ঐক্যজোট, তাসমিয়া প্রধানের নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল, আবুল কাসেমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি।
জোটের একাধিক নেতা বলেছেন, সরকার বিরোধী যুগপৎ আন্দোলন বেগবান করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে ১২টি রাজনৈতিক দল।