1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন

হোটেলে নোটিশ: ‘পেঁয়াজ চেয়ে লজ্জা দেবেন না’!

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৭৮ Time View
ছবি-সংগৃহীত।

অনেক দোকানেই ‘বাকি চাহিয়া লজ্জা দেবেন না’ লেখা সাঁটিয়ে রাখতে দেখা যায়। এবার বাকি নেয়া ক্রেতাদের ঠেকানো নয়, বরং পেঁয়াজ সরবরাহ করতে না পারার লজ্জা ঢাকছেন বিক্রেতারা। পেঁয়াজের দাম রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ায় লেখা হচ্ছে, ‘পেঁয়াজ চেয়ে লজ্জা দেবেন না’। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন হোটেলে এ ধরনের নোটিশ টানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের মতো ভারতেও পেঁয়াজের দাম আকাশছোঁয়া। এ অবস্থায় মধ্য ও নিুবিত্তের মানুষের পাশাপাশি বিপদে পড়েছেন হোটেল ব্যবসায়ীরাও। আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের নওদাপাড়া রেলগেট লাগোয়া একটি পাইস হোটেলের ক্যাশ কাউন্টারের পাশে লেখা রয়েছে, পেঁয়াজ চেয়ে লজ্জা দেবেন না। অনেক ভোক্তা বলছেন, আগে হোটেলে ঢুকলেই খাবারের সঙ্গে বিনামূল্যে পাওয়া যেত লবণ, পেঁয়াজ, লেবু, লঙ্কা।

এখন আর পেঁয়াজের দেখা মিলছে না। হোটেলটির মালিক বাবুলাল দে বলেন, বুধবারও ১২০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনেছি। ফলে রান্না ছাড়া আলাদা পেঁয়াজ দেয়া যাচ্ছে না। হোটেলটিতে প্রতিদিন প্রায় ৬০০ মানুষ খাওয়া-দাওয়া করেন। এজন্য প্রতিদিন প্রায় ২৫ কেজি করে পেঁয়াজ লাগত। কিন্তু পেঁয়াজের ব্যবহার এখন আট কেজিতে নেমে এসেছে। বাবুলাল বলেন, গরম ভাত বা রুটির সঙ্গে এতদিন পেঁয়াজ, লঙ্কা, শশা দিতে হতো।

এখন শশা কিংবা মুলা দিয়ে মেকআপ দিচ্ছি। বাবুলাল একা নন, তার মতো অনেকেই পেঁয়াজের ঝাঁজে নাজেহাল। ফারাক্কার ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশের এক হোটেলের মালিক মনোজ সাহা বলেন, প্রতিদিন ২০ কেজি করে পেঁয়াজ লাগত। দাম বাড়ায় তা ৭-৮ কেজিতে নামিয়ে এনেছি। কেউ পেঁয়াজ চাইলে মুলা ও লঙ্কা দিচ্ছি। অনেকের সঙ্গেই কথা কাটাকাটি হচ্ছে। ভাবছি, আমরাও নোটিশ টানিয়ে দেব।

হরিহরপাড়াসহ অনেক জায়গায় বুধবার ১৫০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। চপ বিক্রেতা, ঝালমুড়িওয়ালা, ঘুগনির দোকানে বন্ধ হয়ে গেছে পেঁয়াজের ব্যবহার। শহরের এক ওমলেটপ্রেমী বলেন, বাজারের কথা আর কী বলব, বাড়িতে ওমলেট চাইলেও মিলছে পোচ! খবর যুগান্তর।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved