নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জে আওয়ামী লীগের কর্মী সমাবেশ চলাকালে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) ১ নং ওয়ার্ডের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমানের বাসভবনের সামনে মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম-সম্পাদক ইলিয়াস ইসলাম লিয়নের সমর্থক দুই গ্রুপের মধ্যে এই মারামারির ঘটনা ঘটে। মারামারির পার্শ্বেই নাসিক ১নং ওয়ার্ড আওয়ামি লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে কর্মী সভা চলছিলো। এসময় মিজমিজি টিসি রোড এলাকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং মানুষ সাধারণ মানুষ ভীত-সন্ত্রাস্ত হয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কর্মী সমাবেশ চলাকালে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের নেতা ইলিয়াস ইসলাম লিয়নের এক সমর্থক আরেক সমর্থকের শরীরে হাত দেয়াকে কেন্দ্র করে দুইটি গ্রুপে ভাগ হয়ে তানভীর, ইয়াছিন, সাইদুল ও ফাহিমসহ আরো কয়েকজনের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। এরপর তর্কবিতর্ক রূপ নেয় মারামারিতে। এসময় ৮-১০ জন কর্মী জখম হয়। কর্মী সমাবেশের এমন মারামারি দেখে যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের কয়েকজন নেতা দুই গ্রুপকে বুঝানোর জন্য রাস্তায় আনলে মারামারি আরো বেড়ে যায়। এতে টিসি রোডে যানচালাচল বন্ধ হয়ে উভয় দিকে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ। তবে পরবর্তীতে সিনিয়র কয়েকজন নেতার হস্তক্ষেপে মারামারি থেমে যায়।
ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াস ইসলাম লিয়ন সাবেক কল মিস্ত্রী ও বর্তমানে চুন ব্যবসায়ী আনোয়ার ইসলামের ছেলে। তিনি গত দুইবার নাসিক ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ফেল করেছেন।
সকল অভিযোগ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াস ইসলাম লিওন বলেন, আমাদের কর্মীরা সকলে সকলের প্রতি আন্তরিক ও শ্রদ্ধাশীল। তারা কখনোই এমন কাজ করবে না। তবে হাতাহাতির ঘটনা আমিও শুনেছি, বিস্তারিত জানি না।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান মুঠোফোনে জানায়, আনোয়ারের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াস কিছু ছেলে ভাড়া করে এনেছিলো, তারাই নিজেদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারি করেছে।