সাবেক চিফ হুইপ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, বিএনপিকে ছাড়া এ দেশে আর কোনো নির্বাচন হতে পারবে না। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় মাঠে নেমেছে বিএনপি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে সংযুক্ত করতে হবে। গণতন্ত্র হত্যাকারী আওয়ামী লীগকে আর রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার দুপুরে বান্দরবানের গ্র্যান্ড ভ্যালি হোটেল মিলনায়তনে জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ১১ দফা দাবিসহ ২৭টি বিষয়বস্তু সংযুক্ত প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারকে। আমরা জানি সরকার এ দাবি মানবে না কিন্তু বিএনপি তৃণমূল পর্যায় থেকে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছেন। ইতোমধ্যে ইউনিয়ন, উপজেলা, পৌরসভা, জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে বিএনপি কর্মী সম্মেলন করে গণজোয়ার সৃষ্টি করেছে। বিএনপির দাবির সাথে একমত পোষণ করে ৩৪টি দল আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগ চাইলেও বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচন করতে পারবে না।
তিনি বলেন, ইভিএম হচ্ছে ইলেকট্রিক ভোট চুরির মেশিন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে চুরির সরদার। যেখানে নির্বাচন কমিশন পদ্ধতি মানি না, সেখানে ইভিএমে বিশ্বাস করার প্রশ্নই ওঠে না। ১৬ বছর ধরে ভোটের অধিকার বাস্তবায়নে মাঠে আন্দোলন করছি। ৪৫ হাজার মামলার বোঝা মাঠে নিয়ে রাজপথে রয়েছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। আর দেশের টাকা লোপাট করে বিদেশের মাটিতে বেগমপাড়া বানাচ্ছেন আওয়ামী লীগ। এ সরকার গণতন্ত্রের লেবাস লাগিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করে চলেছে। যেখানে বিএনপি সেখানেই মামলা হামলা করে বিরোধী দলের কণ্ঠরোধের চেষ্টায় চালাচ্ছে। এ সরকারের প্রতি বিশ্ববাসী আস্থা হারিয়ে ফেলেছে।
জেলা বিএনপির সভাপতি মাম্যাচিংয়ের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাবেদ রেজা, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন তুষার, বিএনপি নেতা লুসাই মং, শাহাদাত হোসেন জনি, রিটল বিশ্বাস, আবিদুর রহমান, সেলিম রেজা ও যুবদলের সভাপতি মো. মাসুম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।