প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও বিশ্বাস পেয়েছি, যা আমাকে প্রেরণা, শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে। বারবার মৃত্যুকে সামনে থেকে দেখেছি। কিন্তু আমি কোনো দিন ভয় পাইনি। কেন যেন মনে হতো আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, এ দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে।
রোববার (১৩ আগষ্ট) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, আল্লাহ প্রত্যেক মানুষকে কিছু সময় দেন, কিছু মানুষকে কিছু কাজ দেন এবং এই কাজটা আমি যতক্ষণ না পর্যন্ত শেষ করব, রাব্বুল আলামিন আমাকে রক্ষা করবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারবালায় নারী-শিশুদের হত্যা করা হয়নি। কিন্তু ১৫ আগস্ট ঘাতকরা আমার মা, আমার ভাইয়ের স্ত্রীদের ছাড়েনি। চার বছরের শিশুকেও ছাড়েনি। সবাইকে হত্যা করা হয়।
তিনি বলেন, সেই রাতে আমি ও আমার ছোটবোন দেশের বাইরে ছিলাম। স্বজনহারা আর্তনাদ আর ঘরবাড়ি ছাড়া ছয়টি বছর আমাদের কাটাতে হয়েছে। ‘৮১ সালে আমরা দেশে ফিরে আসি। দেশে ফিরে আমি সেই চেনা মুখগুলো পাইনি। যারা আমাকে এয়ারপোর্টে পৌঁছে দিয়েছিল। আমি পেয়েছিলাম বনানীতে সারি সারি কবর। পেয়েছি বাংলাদেশের মানুষ। কাজেই সে মানুষগুলো আমার পরিবার, তারাই আমার আপনজন। তাদের মাঝেই ফিরে পেয়েছি আমার বাবার ভালোবাসা, মায়ের স্নেহ।
তিনি বলেন, ইসলামের প্রসারে আওয়ামী লীগ সবসময় কাজ করে। ইসলামের বাণী ছড়িয়ে দিতে সারা দেশে মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে বায়তুল মোকাররমের উন্নয়ন প্রকল্প ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে মসজিদ নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়।
বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, কওমি মাদ্রাসা দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। স্বীকৃত দিয়েছে আওয়ামী লীগ।