1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন

নাগরিকত্ব আইনে পুরো ভারত আক্রান্ত হবে: কানহাইয়া কুমার

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৮৫ Time View
ছবি: সংগৃহীত।

ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) সাবেক সভাপতি কানহাইয়া কুমার বলেছেন, নাগরিকত্ব আইন এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) মাধ্যমে সরকার দেশে দ্বিপক্ষীয় আক্রমণ শুরু করেছে। নাগরিকত্ব আইনে পুরো ভারতই আক্রান্ত হবে।

এনআরসির আওতায় ভারতের যেসব গরিব মানুষ নথিপত্র সংরক্ষণ করতে পারেননি; তারা আটক কেন্দ্রে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে এক সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেন তরুণ ছাত্রনেতা থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া কানহাইয়া।

কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার (সিপিআই) এ নেতা বলেন, ‘সরকার বলেছে- এই দুই পদক্ষেপে দেশের মুসলিমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। অন্যদিকে এনআরসি বাস্তবায়নের সময় নথিপত্র চাওয়া হয়েছিল; সে সময় সংরক্ষণ করতে না পারায় যেসব গরিব মানুষ নথিপত্র দিতে পারেননি, তাদের প্রত্যেকের পাশাপাশি মুসলিমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।’

কানহাইয়া বলেন, ‘সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসিকে দেশের জন্য পুরোপুরি হুমকি হিসেবে দেখা উচিত। এটা এমন একটি উদ্বেগজনক বিষয়; যা সমগ্র দেশের শিক্ষার্থীদের জাগ্রত করেছে।’

সাবেক ছাত্রনেতা সতর্ক করে বলেন, ‘সরকার যদি ডিভাইড অ্যান্ড রুল কৌশল ত্যাগ না করে, তাহলে দেশপ্রেমিক সব মানুষ এবং সংবিধান তাদের প্রতিরোধ করবে।’ ভারতের নতুন এ আইনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে প্রতিবেশী বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে যেসব অমুসলিম শরণার্থী ভারতে গেছেন; তারা দেশটির নাগরিকত্ব পাবেন।

সমালোচকরা বলেছেন, ক্ষমতাসীন হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ভারতে বিভাজন তৈরি করতে এ নতুন নাগরিকত্ব আইন তৈরি করেছে। এ আইনে মুসলিম শরণার্থীদের ব্যাপারে একই ধরনের বিধান রাখা হয়নি; যা ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন অনেকেই।

‘রাজনীতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে করাই উত্তম’- এমন যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে সিপিআই’র নেতা কানহাইয়া কুমার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও খ্যাতি পাওয়ার আগে ছাত্রনেতা ছিলেন। খবর যুগান্তর।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved