1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় তহবিল প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী - Globalprime24.com
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় তহবিল প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

গ্লোবাল প্রাইম ডেস্ক
  • Update Time : সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১২৬ Time View

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের একটি জরুরি তহবিল গঠন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কনটেক্সট ডট নিউজে দেওয় একটি মতামতে তিনি এ কথা তুলে ধরেছেন। তার সম্পূর্ণ মতামতটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

পদ্মা নদীতে পানি প্রবাহের মতোই জলবায়ু সংকটও প্রবহমান, দ্রুত চলমান এবং প্রায়শই অপ্রত্যাশিত। তবে, এ সংকট মোকাবিলায় আলাপ-আলোচনার ক্ষেত্রে একই কথা বলা যায় না। দুর্ভাগ্যবশত আমরা এখন দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলন (কপ-২৮) জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনে অর্থায়ন ও সংযোজনের ক্ষেত্রে সমস্যাগুলোর প্রত্যাশিত পার্থক্য দেখতে পাচ্ছি।

আগামীতে গুরুত্বপূর্ণ এ ক্ষেত্রগুলোতে অগ্রগতি অর্জন করা অপরিহার্য। আমাদের অবশ্যই বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির পরিমাণ ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই রাখতে হবে। একে অতিক্রম করতে দেওয়া যাবে না। আমাদের মতো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান চাহিদাগুলো চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে অর্থসহায়তা প্রদান করতে হবে।

আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি, দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে কিছু দেশ বিজ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করছে। বাংলাদেশে আমরা কয়েক দশক ধরে ক্রমবর্ধমান কার্বন নিঃসরণের প্রভাবে ভুগছি। চলতি বছরই আমাদের দেশের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির পারদ অতিক্রম করেছে। যার ফলে তাপপ্রবাহ ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতায় ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে আমাদের দেশের জনগণকে। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে চলতি বছর হাজার হাজার স্কুল বন্ধ রাখতে হয়। আগস্ট মাসের বন্যায় ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর বাস্তুচ্যুত হয়েছে কয়েক হাজার মানুষ।



বৈশ্বিক কার্বন নির্গমনে বাংলাদেশের ভূমিকা মাত্র ০.৪৭ শতাংশ। তবুও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশের তালিকায় আমাদের অবস্থান সপ্তম। বছরের পর বছর ধরে আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে খাপ খাইয়ে আমাদের অর্থনীতির সমৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগ করে আসছি।

‘মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা’র মাধ্যমে আমরা আমাদের সমাজকে পরিবর্তনের উপায় নির্ধারণ করেছি এবং জলবায়ুর দুর্বলতা নয়, এর স্থিতিস্থাপকতার পথ নির্ধারণ করেছি। আমাদের এ পরিকল্পনায় আছে – ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য শক্তির ক্ষমতা ৩০ শতাংশ বাড়ানো, টেকসই কৃষির বিকাশ এবং গ্রিড আধুনিকীকরণ।

আজ আমরা বন্যা প্রতিরক্ষা, সমুদ্রপ্রাচীর এবং ম্যানগ্রোভ বন নির্মাণ করছি। স্যাটেলাইট সতর্কতা ব্যবস্থা বিপজ্জনক আবহাওয়ার ধরণগুলোকে ট্র্যাক করে। এই সমস্ত ব্যবস্থা আমাদের জীবন বাঁচাতে সহায়ক। জলবায়ু বিপর্যয় প্রশমন জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকারের গৃহীত প্রতিটি পদক্ষেপের মধ্যেই নিহিত থাকে। এটা আমাদের অর্থনীতি এবং বেঁচে থাকার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এই অভিযোজন পরিকল্পনা হলো, আমরা কিভাবে আমাদের আন্তঃসংযুক্ত অর্থনীতি, খাদ্য থেকে টেক্সটাইল পর্যন্ত আমাদের বিভিন্ন সেক্টর, কোন সেক্টরের ওপর কতটা নির্ভর করি এবং আমরা কীভাবে অবকাঠামো তৈরি করি তা নিয়েও। আমাদের আরও সাহসী কৌশল ও সাহসী বিনিয়োগ প্রয়োজন। সৌর প্রযুক্তিকে আরও সাশ্রয়ী করতে হবে, ইনভার্টারগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞামূলক কর পুনর্বিবেচনা করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকে অবশ্যই সচল রাখতে হবে।

ব্যাপক আর্থিক ব্যবধান

কপ-২৮ সম্মেলনে নেতারা অভিযোজন তহবিলের জন্য ১৬৯ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা এ বছরের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক কম। অর্থায়নের ব্যবধান প্রতি বছর ১৯৪-৩৬৬ বিলিয়ন ডলার। এ ব্যবধান আমাদের যা প্রয়োজন তার চেয়ে অনেক বেশি। এক্ষেত্রে ধনী দেশগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।



একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছার জন্য মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি আছে, যা বিশ্বের জন্য জরুরিভাবে প্রয়োজন। কপ-২৮ সম্মেলন ও এর বাইরে কী লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে, তা বিশ্বনেতারা জানেন। বৃহত্তম কার্বন নির্গমনকারী দেশগুলোর অবশ্যই উচ্চ লক্ষ্যমাত্রার এনডিসি জমা দিতে হবে এবং তা পূরণের জন্য সাহসী কৌশল নির্ধারণ করতে হবে। উন্নত দেশগুলোকে অবশ্যই প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার সরবরাহ করতে হবে এবং ২০২৫-পরবর্তী নতুন জলবায়ু অর্থায়নের লক্ষ্যমাত্রা বর্তমান প্রতিশ্রুতির চেয়ে বেশি হতে হবে।

জলবায়ু অর্থায়নে তিনটি অপরিহার্য মানদণ্ড পূরণ করা অত্যাবশ্যক – পর্যাপ্ত তহবিল, নিয়মিত এবং অ্যাক্সেসযোগ্য হতে হবে। আমাদের মতো দেশ, যারা বছরের পর বছর অসুবিধার সম্মুখীন হয়, ভবিষ্যতের তহবিল তাদের কাছে পৌঁছাতে হবে।

আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছে আমাদের সাধারণ লক্ষ্যগুলো গভীরভাবে প্রতিফলিত করার জন্য, নিষ্পত্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে এবং প্রকৃত খরচ চিহ্নিত করার অনুরোধ করছি। আমি সকলের কঠোর পরিশ্রম এবং আন্তরিক প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই।

প্রতিনিয়তই আমাদের পায়ের নিচে বাড়তে থাকা পানি ও তাপমাত্রার রেকর্ড আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমরা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের দ্বারপ্রান্তে আছি। এই সমস্যা আমাদের অবশ্যই কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে হবে। সূত্র: যুগান্তর।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved