1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
জন্ডিস সহ ১৪টি কঠিন রোগ থেকে মুক্তি দেবে এই পাতা! - Globalprime24.com
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন

জন্ডিস সহ ১৪টি কঠিন রোগ থেকে মুক্তি দেবে এই পাতা!

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৩১ মে, ২০২০
  • ৯২ Time View

বাসক পাতা ভেষজ গুণে গুণান্বিত। আদি যুগ থেকেই ভিবিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে এর ব্যবহার হয়ে আসছে। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায়ও এই পাতার ভেষজ গুণাবলি প্রমাণিত হয়েছে। 

উইকিপিডিয়া, বিকাশপিডিয়া ও অন্যান্য বইপত্রের মাধ্যমে এই পাতার গুণাগুণ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। এর তাজা অথবা শুকনা পাতা বহু রোগে ওষুধের কাজ করে। বাসক পাতার নির্যাস, রস বা সিরাপ শ্লেষ্মা তরল করে নির্গমে সুবিধা করে দেয় বলে সর্দি, কাশি এবং শ্বাসনালীর প্রদাহমূলক ব্যাধিতে বিশেষ উপকারী।

আমাদের দেশে অনেক জায়গায় বাসক গাছ বাণিজ্যকভাবে চাষ করা হচ্ছে। বাসক পাতা বিভিন্ন ওষুধ তৈরিতেও ব্যবহার হচ্ছে। এ থেকে বোঝা যায় এই পাতার বহু ওষুধি গুণ রয়েছে। দেহের বিভিন্ন রোগ নিরাময় ছাড়াও বাসক পাতার রয়েছে অন্যান্য উপকারিতা। যা অনেক কঠিন সমস্যাও সহজে সমাধান করে দেয়। চলুন বাসক পাতার গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

> শিশুর সর্দি-কাশি সারাতে এই পাতা বেশ উপকারী। বাসক পাতার ১ বা ২ চামচ রসের সঙ্গে এক চামচ মধু মিলিয়ে খেলে উপকার মিলবে।

> উকুনের সমস্যায় ভুগছেন? এই পাতার রস গোসলের আধা ঘণ্টা আগে মাথায় মাখলে উকুন মরে যায়।

> এছাড়া আমবাত ও ফোঁড়ার প্রাথমিক অবস্থায় বাসক পাতা বেটে প্রলেপ দিলে ফোলা ও ব্যথা কমে যায়।

> বুকে কফ জমে শ্বাসকষ্ট বা কাশি হয়। তখন বাসক পাতার রস ১ বা ২ চামচ মধুসহ খেলে কফ সহজে বেরিয়ে আসে।

> প্রস্রাবে জ্বালা-যন্ত্রণা থাকলে বাসক ফুলে উপকার মিলবে। বাসকের ফুল বেটে নিন। এবার ২ বা ৩ চামচ ফুলের পেস্টের সঙ্গে মিছরি মিলিয়ে শরবত করে খেলে এই রোগে উপকার পাওয়া যাবে।

> জ্বর হলে বা অল্প জ্বর থাকলে বাসকের মূল ৫ বা ১০ গ্রাম ধুয়ে থেঁতো করে ১০০ মিলিলিটার পানিতে ফুটিয়ে ২৫ মিলিলিটার থাকতে নামিয়ে তা ছেঁকে নিন। এরপর দিনে ২ বার করে খান। তাতে জ্বর এবং কাশি দুটোই চলে যাবে।

> বাসকের কচিপাতা ১০ থেকে ১২টি ও এক টুকরো হলুদ এক সঙ্গে বেটে দাদ বা চুলকানিতে লাগালে কয়েক দিনের মধ্যে তা সেরে যায়।

> বাসক পাতা বা ফুলের রস ১ বা ২ চামচ মধু বা চিনিসহ প্রতিদিন খেলে জন্ডিস রেগে উপকার পাওয়া যায়।

> যাদের গায়ে ঘামের গন্ধ হয় তারা বাসক পাতার রস গায়ে লাগালে দুর্গন্ধ দূর হবে।

> বাসক পাতার রস ও শঙ্খচূর্ণ মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করলে রঙ ফর্সা হবে।

> এক কলসি পানিতে তিন-চারটি বাসক পাতা ফেলে তিন-চার ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখার পর সেই পানি বিশুদ্ধ হয়ে যাবে। এরপর এই পানি প্রয়োজন মতো ব্যবহার করতে পারবেন।

> বাসক পাতার রস নিয়মিত খেলে খিঁচুনি রোগ দূর হয়ে যায়।

> পাইরিয়া বা দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়লে ২০টি বাসক পাতা থেঁতিয়ে ২ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে নিন। এ পানি দিয়ে উষ্ণ অবস্থায় কুলকুচি করলে এই রোগে উপকার পাওয়া যায়।

> যাদের হাঁপানির টান আছে তারা বাসক পাতা শুকনো করে, ওই পাতা বিড়ি বা চুরুটের মতো পাকিয়ে, তার সাহায্যে ধূমপান করলে শ্বাসকষ্ট প্রশমিত হয়।

এছাড়া বাসকের পাতা সবুজ খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং পাতা থেকে হলদে রং পাওয়া যায়। বাসক পাতায় এমন কিছু ক্ষারীয় পদার্থ আছে যায় ফলে ছত্রাক জন্মায় না এবং পোকামাকড় ধরে না বলে ফল প্যাকিং এবং সংরক্ষণ করার কাজেও ব্যবহৃত হয়। খবর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved