1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন

খাজনা রশিদ দিলেন ৯৯৫ টাকার, উৎকোচ নিলেন ১০ হাজার টাকা

গ্লোবাল প্রাইম ডেস্ক
  • Update Time : বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ১২৭ Time View

৯৯৫ টাকার খাজনা রশিদ দিয়ে ভূমি মালিকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বরগুনার তালতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মহসিন খানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১২ আগষ্ট) উপজেলা নিবার্হী অফিসারের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী জলিল মীর। জলিল উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের ছোটবগী গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি জানান, তিনি তার মোট ৩৩ শতাংশ জমির মধ্যে ৮ শতাংশ জমি বিক্রি করেছেন। অবশিষ্ট ২৫ শতাংশের জন্য ভূমি উন্নয়ন কর জমা দিতে যান পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। প্রথমেই সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা দাবি করেন, ৩৩ শতাংশের কর বাবদ ১৬ হাজার টাকা দিতে হবে। পরে ২৫ শতাংশের জন্য ডেকে নেন আলাদা কক্ষে, যেখানে ২৫ শতাংশ ভূমির জন্য তিনি ১০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবি করেন। তার দাবি মতে তাকে জলিল মীর ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন।



ভুক্তভোগী জলিল মীর সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি তহসিলদারকে বললাম, স্যার এত টাকা একসঙ্গে দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি তখন বলেন, আজই না দিলে হবে না।’ শেষমেশ মেয়ের সোনার গয়না বিক্রি করে নগদ ১০ হাজার টাকা জোগাড় করি। পরে সেই টাকা তাকে দিলে তিনি গত ১১ মার্চ জমির দাখিলা দেন। ওই জমি বিক্রি করতে গিয়ে আমি জানতে পারি তহসিলদার মহসীন ১০ হাজার টাকা নিয়ে ৯৯৫ টাকার খাজনা রশিদ দিয়েছেন। আমি বাকি টাকা ফেরত পেতে সহকারি কমিশনারের (ভূমি) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।

পচাঁকোড়ালিয়া ইউনিয়নের ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মহাসিন খান বলেন, জলিল মীরের কাগজে অনেক ত্রুটি ছিল। সেগুলো ঠিক করার পাশাপাশি অনলাইন খরচ বাবদ তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আপনি তাকে জমির খাজনা পরিশোধের রশিদ দিয়েছেন ৯৯৫ টাকার- এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী এলেই অতিরিক্ত টাকা তাকে দিয়ে দেওয়া হবে।



সরকারি কমিশনার (ভূমি) দায়িত্বে থাকা তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে সালমা বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আরেকটি মৌখিক অভিযোগও থাকায় কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছেন। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে মৌখিকভাবে কঠোর সতর্ক করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved