কলা ছোট-বড় সবারই পছন্দের ফল। ১২ মাসই এই ফল পাওয়া যায়। সকালের নাস্তায় কিংবা অতিথি আপ্যায়নে কলা বেশ ভালো মানিয়ে যায়। তাছাড়া সুস্বাদু এই ফলটি পুষ্টিগুণেও পরিপূর্ণ।
তবে স্বাস্থ্যকর হলেও এই ফলের রয়েছে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। অতিরিক্ত কলা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে আপনি শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগতে পারেন। তাই অবশ্যই কলা খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক অতিরিক্ত কলা খেলে যেসব ক্ষতি হয়-
> কলা ফাইবার সমৃদ্ধ একটি ফল। যা অন্ত্রের পানি শোষণ করে নেয়। আর এর ফলে দেখা দিতে পারে পানিশূণ্যতা। তাই অতিরিক্ত কলা খাওয়া এড়িয়ে চলুন।
> যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তারা কাঁচা কলা খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাই কাঁচা কলা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
> অনেকেই মনে করে অন্যান্য ফল বাদ দিয়ে শুধু কলা খেয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব। যা একদমই ভুল ধারণা। এই ভুলের কারণে অন্য ফলে থাকা পুষ্টি উপাদান থেকে বঞ্চিত হবে আপনার শরীর। যা কেবল কলা খেয়ে পোষাবে না।
> যেসব খাবারে নির্দিষ্ট পরিমাণ আঁশ থাকে সেগুলো হজমে সহায়তা করে। তবে এই আঁশ অতিরিক্ত গ্রহণ করলেই ঘটে বিপদ! এতে পেট ব্যথা, গ্যাসের সমস্যা, পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কলাও আঁশযুক্ত একটি ফল। তাই বিপদ এড়াতে বুঝে কলা খান।
> ক্যালরি সমৃদ্ধ ফল কলা। নাশতায় ভাজা পোড়া খাওয়া বাদ দিয়ে কলা খাওয়া স্বাস্থ্যকর। তবে সেক্ষেত্রে পরিমাণ ঠিক রাখতে হবে। অবশ্যই খেয়াল রাখুন দুটির জায়গায় যেন তিনটি কলা না হয়ে যায়। ভুল হলে তা গিয়ে ঠেকবে ৩০০ ক্যালরিতে। আর এতেই বাড়বে ওজন। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত কলা খাওয়া ভুলে যান।
> ট্রিপটোফ্যান নামের এক ধরণের অ্যামাইনো এসিড কলায় বিদ্যমান। যা মানুষকে ঘুমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও কলায় থাকা শর্করার কারণে মস্তিষ্কে সেরোটোনিনের মাত্রা বেড়ে যায়। এর কারণে সারাদিন ঘুম ঘুম পায়। তাই অতিরিক্ত কলা খাওয়া আজই বাদ দিন।
> প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে কলায়। অতিরিক্ত কলা খেলে এর কণা দাঁতের ফাঁকে রয়ে যায়। এর থেকেই দেখা দিতে পারে দাঁতের নানা ধরণের সমস্যা। তাই কলা খাওয়ার ব্যাপারে সাবধান। খবর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম।