সারা বিশ্বে প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ ধূমপানে আসক্ত। এতে নিজের সঙ্গে সঙ্গে আশেপাশের মানুষের সমান ক্ষতি করছেন ধূমপায়ী ব্যক্তিরা।
এছাড়া গত কয়েক দশকে সারা বিশ্বে পরিবেশ দূষণ মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়েছে। এতে ক্যান্সারের পাশাপাশি ফুসফুসের নানা রোগের প্রসার ঘটছে। তারপরও এই ভাইরাসের সময় ফুসফুস সুস্থ রাখা খুবই জরুরি। কারণ করোনাভাইরাস শুরুতেই ফুসফুস বিকল করে দেয়। এই পরিস্থিতিতে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে ফুসফুসের সুস্থতায় কিছু নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন।
সেই সঙ্গে খাবারের ব্যাপারেও সচেতন থাকতে হবে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি করে শাক-সবজি এবং ফল খেলে তামাকের কু-প্রভাবের হাত থেকে ফুসফুস রক্ষা পায়। সেই সঙ্গে ফুসফুস সংক্রান্ত নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে। জেনে নিন কোন খাবারগুলো এই সময় বেশি খাবেন-
পেঁপে
শরীরে ক্যারোটিনয়েডসের মাত্র যত বৃদ্ধি পাবে, তত ফুসফুসের উপর ধূমপান এবং পরিবেশ দূষণের প্রভাব কম পরবে। আর এই উপাদানটি বেশি মাত্রায় পাওয়া যায় পেঁপেতে। তাই তো বর্তমান পরিস্থিতির কথা ভেবে বেশি করে এই ফলটি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। এছাড়াও কমলা লেবু এবং গাজরেও প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিনয়েড রয়েছে।
সবজি
ব্রোকলি ও বাঁধাকপি জাতীয় ক্রসিফেরাস সবজি বেশি করে খাবেন। কারণ এই ধরনের সবজিগুলোতে সালফোরেফেন নাম একটি উপাদান থাকে। যা ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে।
সামুদ্রিক মাছ
সালমন, ম্যাকারেল এবং সার্ডিন জাতীয় সামুদ্রিক মাছ বেশি করে খেতে হবে। কারণ এই ধরনের মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যা ফুসফুসকে চাঙ্গা রাখার পাশপাশি সার্বিকভাবে শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
পালং শাক
এই সময় ফুসফুসকে ভালো রাখতে শরীরের প্রয়োজন ফলেটের। আর পালং শাক এই উপাদানটির ঘাটতি মেটাতে দারুনভাবে কাজ করে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপান এবং মদ্যপান বেশি করলে শরীরে ফলেটের পরিমাণ কমে যেতে শুরু করে। তাই যাদের ধূমপান বা মদ্যপানের অভ্যাস আছে তাদের বেশি করে পালং শাক খাওয়া উচিত। সূত্র: বোল্ডস্কাই, ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম।