ধূমপান কখনোই স্বাস্থ্যকর নয়। দিন দিন ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব ফুসফুসের উপর পড়তে থাকে। ধূমপান এমন এক নিরব ঘাতক, যা ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। শুরুর দিকে এই ক্ষতির কোনো লক্ষণই বোঝার উপায় থাকে না।
দীর্ঘদিন ধরে যারা ধূমপান করছেন, তারা নিজেরাই ভুলে বা অজ্ঞতার কারণে নিজেদের ফুসফুস নষ্ট করছেন। অতিরিক্ত বা বহু বছরের ধূমপায়ীরা তাদের তরুণ বয়সে এটা টের পান না। কারণ ফুসফুসের ড্যামেজ হওয়াটা বাইরে থেকে দেখার উপায় নেই!
উপসর্গ দেখা না-দিলেও ধূমপায়ীদের ভেতরে ভেতরে ফুসফুস অকেজো হতে থাকে! নিকোটিন ও অন্যান্য আবর্জনায় ফুসফুসের ছোট ছোট বলগুলো (অ্যালভিওলাই) কালো হতে হতে একসময় অর্ধেকটাই বা অংশবিশেষ অকেজো হয়ে যায়। ফুসফুসের চমৎকার গোলাপী রঙটাই নষ্ট হয়ে কালো কুচকুচে হয়ে পড়ে! দীর্ঘদিন ধরেই একটু একটু করে এটা ঘটে থাকে। তারপর বয়স বেড়ে গেলে ধীরে ধীরে উপসর্গগুলো নানাভাবে প্রকাশ পেতে থাকে!
হার্ট, কিডনি বা লিভারের মতো ফুসফুসও একদিনে দুর্বল হয় না। লম্বা সময় লাগে। যে যত আগে ধূমপান শুরু করেছেন বা কি পরিমাণে করেন, তার ফুসফুস সেই হারে দুর্বল হয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিনের ধূমপায়ীরা ধূমপান ছেড়ে দিলেও দেখা গেছে, অনেক লম্বা সময়, বছরের পর বছর লাগে ফুসফুস আবার পরিষ্কার হতে! আশার কথা, তবুও ফুসফুস আগের অবস্থায় ফিরে আসে! এ দিক দিয়ে হার্টের চাইতে ফুসফুস অনেক সুবোধ অর্গান!
৪০, ৫০ এবং ৬০ এমন কোনো বয়স নয় যে, ভেতরের অর্গানগুলো এমনি এমনিতেই খুব দুর্বল হয়ে যাবে। যদি না নিজের গাফিলতিতে তা করা হয়! তাই আজই সতর্ক হন। সুস্থ থাকুন। খবর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম।