আজকে বলা হচ্ছে উন্নয়ন হচ্ছে। সেই উন্নয়নটা কোথায়? উন্নয়নটা ওদের ঘরে। ওদের ব্যাংকে। যে আওয়ামী লীগ নেতার একটা বাড়ি ছিল না, তার দশটা বাড়ি হয়েছে। যে সাইকেল চালাত, সে এখন গাড়ি চালায়। আজকে এই আওয়ামী লীগ সরকারে গিয়ে জনগণকে শোষণ করে, তারা বাংলাদেশকে ধ্বংসের মুখে ফেলে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (২০ মে) লালমনিরহাট কালেক্টর মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১০ দফা নয়, ২০ দফা নয়। দফা একটাই। সেই দফা হচ্ছে শেখ হাসিনার পদত্যাগ। নির্বাচন কমিশনকে ঠুঁটো জগন্নাথ উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, তাদের কোনো ক্ষমতাই নেই। তারা গাইবান্ধার সাঘাটার নির্বাচন বাতিল করেছিল। এই কারণে আইন করছে যে, নির্বাচন কমিশনের কোনো অধিকারই থাকবে না। তারা শুধু কেন্দ্র বাতিল করতে পারবে। কিন্তু নির্বাচন বাতিল করতে পারবে না। এই কমিশন দিয়ে কোনো নির্বাচন হবে না। সে কারণে আমরা বলছি একটি নতুন নির্বাচন কমিশন হবে।
জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সম্পাদক হাফিজুর রহমান বাবলার সঞ্চালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান, বিএনপি নেতা একেএম মমিনুল হক, রোকন উদ্দিন বাবুল প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল বলেন, ২০১৪ সালে তারা (আওয়ামী লীগ) বলেছিল ১০ টাকায় চাল খাওয়াবে। ঘরে ঘরে চাকরি দেবে। এসব কি দিয়েছে? দেয়নি। আজকে মানুষ পেঁয়াজ কিনতে পারে না, আদা কিনতে পারে না, মাছ কিনতে পারে না। একটা ডিম কিনে ছেলেকে দেবে, সেটাও মা করতে পারছে না।
তিনি বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন-ফয়সালা হবে রাজপথে। টেকব্যাক বাংলাদেশ। যে বাংলাদেশকে আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছিলাম। সেই বাংলাদেশের জন্য মুক্তিযোদ্ধারা লড়াই করেছিলেন একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে গড়তে। সেই বাংলাদেশকে আমরা ফিরিয়ে আনব।