1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন

ইরাকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ: বন্দুকধারীদের গুলিতে বাগদাদে নিহত ২০

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৮৯ Time View
ছবি- বিবিসি।

ইরাকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় রাজধানী বাগদাদে আজ শনিবার ভোরে বন্দুকধারীরা কমপক্ষে ২০ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে।

শহরের যেসব এলাকায় বড় ধরনের বিক্ষোভ হচ্ছিল অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা সেখানে আক্রমণ চালায়। এর পর বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই সেখানে বিক্ষোভ চলছে। ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনের পতনের পর ইরাকে এরকম বিক্ষোভ কখনো দেখা যায়নি।

এই অস্থিরতা শুরু হয়েছে অক্টোবর মাসে যখন লোকজন দুর্নীতি, বেকারত্ব, সরকারি সেবার অভাব এবং তাদের দেশে ইরানের হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে রাজধানী বাগদাদ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় কয়েকটি শহরে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।

বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরাকে ৪২০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও।

বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্থানে রাস্তাঘাট বন্ধ করে রেখেছে, অবরোধ করে রেখেছে তেল ক্ষেত্র এবং বন্দর। বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সাথে তাদের সংঘর্ষ হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বাগদাদে শুক্রবার রাত পার হয়ে ভোরের দিকে পিক-আপ ট্রাকে করে আসে সশস্ত্র ব্যক্তিরা এবং লোকজন যেখানে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছিল তার উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যেতে থাকে।

এসময় তারা গুলি চালাতে থাকে এবং লোকজন প্রাণের ভয়ে এদিকে ওদিকে দৌড়াতে শুরু করে।

কারা এই হামলাকারী সেটা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তাদেরকে “অজ্ঞাত ব্যক্তি” বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

সাম্প্রতিক এসব বিক্ষোভে কমপক্ষে ৪২০ জন নিহত হয়েছে।সাম্প্রতিক এসব বিক্ষোভে কমপক্ষে ৪২০ জন নিহত হয়েছে। ছবি- বিবিসি।

 

গত সপ্তাহেই ইরানি সমর্থিত একটি মিলিশিয়া বাহিনীর সমর্থকরা বিক্ষোভ স্থলে ঢুকে পড়লে বেশ কয়েকজন ছুরিকাহত হয়।

আরেকটি ঘটনায় প্রভাবশালী শিয়া নেতা মুক্তাদা সদরের বাড়িতে ড্রোনের সাহায্যে বোমা ফেলা হয়েছে বলে তার দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। সেসময় তিনি দেশের বাইরে ছিলেন।

সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল মাহদি পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু প্রতিবাদকারীরা পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থারই আমূল পরিবর্তন দাবি করছেন।

ইরাকে জাতিগত বিভিন্ন গোষ্ঠীর জন্য কোটা ব্যবস্থা চালু আছে। কিন্তু বহু ইরাকি মনে করেন যে এর মাধ্যমে দেশটিতে দুর্নীতিকে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়াও শিয়া রাষ্ট্র ইরানের সাথে ইরাকি নেতাদের বর্তমান সম্পর্ক নিয়েও অনেকের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।

সাদ্দাম হোসেনের পতনের পর থেকে ইরাকে শিয়া রাজনীতিবিদরাই দেশ পরিচালনা করছেন।

শুরু কীভাবে?

সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল মাহদি দেশটির জনপ্রিয় এক ব্যক্তি যিনি সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী বাহিনীর প্রধান ছিলেন তাকে তার পদ থেকে সরিয়ে নিচু পদে আসীন করেন।

লোকজন সোশাল মিডিয়াতে এর প্রতিবাদ জানাতে শুরু করে। সেখানেই তারা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে ১লা অক্টোবরে বিক্ষোভের ডাক দেয়।

সবচেয়ে বড় বিক্ষোভটি হয় বাগদাদের তাহরির স্কয়ারে। বিক্ষোভকারীরা তখন একটি সেতু পার হয়ে সুরক্ষিত গ্রিন জোনে (যেখানে প্রধান প্রধান সরকারি অফিস) প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের ওপর গুলি চালায়।

এর পরেই বিক্ষোভ রাজধানী ছাড়াও দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলীয় আরো কয়েকটি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে। তারা আদাম নির্বাচনের দাবি জানাতে থাকে। বিক্ষোভকারীদের বেশিরভাগই বয়সে তরুণ।

তাদের সুনির্দিষ্ট কোন নেতা নেই। অনেকটা স্বতঃস্ফূর্তভাবেই তারা এসব প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছে।

এর এক সপ্তাহ পর প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রীসভায় রদবদলের প্রতিশ্রুতি দেন এবং বেকারত্ব কমাতে কিছু পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন।

কিন্তু আগাম নির্বাচন না দেওয়ায় তারা ২৫শে অক্টোবরে আবার রাস্তায় নেমে আসে।

ইরানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ কেন?

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ যে ইরান তাদের দেশে হস্তক্ষেপ করছে এবং এর ফলে ইরাকের সরকার ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা জটিল হয়ে পড়েছে, বাড়ছে দুর্নীতিও।

নানা শ্রেণি পেশা ও বয়সের লোকেরা এসব বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছে।নানা শ্রেণি পেশা ও বয়সের লোকেরা এসব বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছে। ছবি- বিবিসি।

 

২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনের পতনের পর থেকেই ইরাকের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইরানের প্রভাব ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে।

ইরাকের শিয়া নেতাদের সাথে তাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে যারা শাসক শ্রেণির সদস্য।

ইরাকের আধা সামরিক বাহিনী পপুলার মবিলাইজেশনকে সাহায্য সহযোগিতা দেয় ইরান। এই বাহিনীতে শিয়া মিলিশিয়ারাই প্রাধান্য বিস্তার করছে। খবর বিবিসি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved