1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন

আসছে কাচকি মাছের চানাচুর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • Update Time : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৯২ Time View

কাচকি পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ দেশি প্রজাতির কাঁটাযুক্ত, খুব ছোট এবং প্রায় স্বচ্ছ মাছ। এটি নদী, খাল-বিলে প্রচুর পাওয়া যায়। কাঁটাযুক্ত হওয়ায় অনেকেই পছন্দ করেন না। বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা তো একদম না। তবে চানাচুর অনেকেরই পছন্দের খাবার। তাই কাচকি মাছের পুষ্টি যাতে সহজে সবাই নিতে পারে সেই দিক লক্ষ্য রেখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক উদ্ভাবন করে ফেলেছেন কাচকি মাছের চানাচুর। কেবল চানাচুরই নয় উদ্ভাবন করা হয়েছে কাচকি মাছের কুড়কুড়ে বাদাম ও তিলের বার।

 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে গবেষণা পরিচালিত হয়। গবেষক দলের নেতৃত্ব দেন ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নুরুল হায়দার ও সহযোগিতায় ছিলেন একই বিভাগের প্রভাষক মোবারক হোসেন। ড. নুরুল হায়দার বলেন, কাচকি মাছে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও ভিটামিন ‘এ’। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এ মাছের গুরুত্ব অনেক। সব বয়সির কাছেই চানাচুর, তিলের বার ও বাদাম খুব পছন্দের। ক্যাটাগরি-১ এর পণ্যগুলো চানাচুর জাতীয় এবং ক্যাটাগরি-২ এর পণ্যগুলো মূলত কুড়কুড়ে বাদাম ও তিলের বার (স্থানীয়ভাবে তিল বাদাম) জাতীয়।

 

মোবারক হোসেন বলেন, খাবারে পুষ্টিমান বৃদ্ধির লক্ষ্যেই মূলত গবেষণাটি করেছি। কাচকি মাছ গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দিয়ে থাকে। গবেষক দল বলে, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ফিশ নিউট্রিশন ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে দেখা যায় কাচকি মাছের চানাচুরে গড়ে ৪-৫% ময়েশ্চার, ২৬-৩০% লিপিড, ১৮-২২% প্রোটিন, ৫% মিনারেল, ২% ফাইবার এবং ৩৯-৪২% কার্বোহাইড্রেট রয়েছে।

 

যেখানে সাধারণ চানাচুরে প্রোটিনের পরিমাণ ১২-১৩%। কাচকি মাছযুক্ত বার জাতীয় পণ্যগুলোতে রয়েছে ২০-২২% ময়েশ্চার, ১৩-১৯% লিপিড, ১৩-১৫% প্রোটিন, ১২-১৫% মিনারেল, ২-৩% ফাইবার এবং ৩২-৩৪% কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়। তিল এবং বাদামের পণ্যগুলো তৈরি হবে বাদাম, মাছ, তিল এবং গুড়ের সমন্বয়ে।

 

প্রথমে উপাদানগুলো হাইজেনিক পদ্ধতিতে শুষ্ক করে নেওয়া হয়। যেখানে মাছ, তিল এবং বাদাম প্রথমে ভেজে নেওয়া হয়। মাছগুলো মিডিয়াম তাপমাত্রায় ভেজে নেওয়া হয় যাতে মচমচে থাকে। পরে আখের গুড়ের সঙ্গে মিশিয়ে এসব বার তৈরি করা হবে। অন্য দিকে বাজারের প্রচলিত চানাচুরের সঙ্গে প্রক্রিয়াকৃত মাছ মিশিয়ে তৈরি করা হবে চানাচুর। মাছের কোনো গন্ধ থাকবে না। জিপার ব্যাগে পণ্যগুলো দুই মাসের বেশি সময় পর্যন্ত ভালো থাকবে। সাধারণত ২৫ গ্রামের যে পিনাট বার পাওয়া যায় তার দাম ১০ টাকা। মাছের তৈরি বারের দাম হবে ১৫-২০ টাকা। অন্য দিকে মাছের চানাচুরের দাম নির্ধারণ হবে মাছের পরিমাণের ওপর। চানাচুরে মাছের পরিমাণ যত বেশি হবে দামও তত বেশি হবে। বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ফাতেমা হক শিখা বলেন, এ ধরনের পণ্য বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা গেলে দেশীয় পুষ্টিকর ছোট মাছগুলো সব শ্রেণির ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে, যা বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved